ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পবিপ্রবিতে ১৩০২তম ইয়ুথ লিডারশিপ ট্রেনিং অনুষ্ঠিত

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৭ Time View
Print



‎মোঃ সজিব সরদার
‎স্টাফ রিপোর্টার: ‎পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ১৩০২তম ইয়ুথ লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। Building Youth Leadership on Pluralism and Social Harmony ‘বহুত্ববাদ ও সামাজিক সম্প্রীতিতে তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনিষ্ঠিত হয়।

‎ শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ সেমিনার কক্ষে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর পটুয়াখালী জেলা সভাপতি মানস কান্তি দের সভাপতিত্বে ও দি হাঙ্গার প্রজেক্টের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর হাদিউজ্জামান সুজনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি’র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.বি.এম. সাইফুল ইসলাম।
‎বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুজন পটুয়াখালী জেলা প্রচার সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের ট্রেনিং ইউনিটের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর তুহিন আফসারি, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সোহেল রানা, বরিশাল অঞ্চলের রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ শুভ এবং পটুয়াখালী জেলা সমন্বয়কারী মো. নজরুল ইসলাম।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.বি.এম. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমাদের বাংলাদেশ একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। এখানে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মানুষ যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছে। বহুত্ববাদ বা প্লুরালিজম মানেই শুধু সহাবস্থান নয়; এর অর্থ হলো একে অপরের ভিন্নতাকে শ্রদ্ধা করা এবং সেই বৈচিত্র্যকে উদযাপন করা। আর এই বহুত্ববাদের ভিত্তির ওপরই গড়ে ওঠে একটি টেকসই সামাজিক সম্প্রীতি বা সোশ্যাল হারমনি।

‎তিনি বলেন, একটি সমাজ বা রাষ্ট্র কতটা মানবিক ও প্রগতিশীল হবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করে সেই দেশের তরুণ প্রজন্মের ওপর। “তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ”— উল্লেখ করে তিনি তরুণদের দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

‎তরুণ নেতৃত্ব প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, নেতৃত্ব কেবল কোনো পদ-পদবি বা ক্ষমতার বিষয় নয়; নেতৃত্ব হলো দায়িত্ববোধ, সহানুভূতি এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার সক্ষমতা। তিনি তরুণ সমাজকে ঐক্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

‎প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, বহুত্ববাদ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সামাজিক সম্প্রীতি ও সহনশীলতা বৃদ্ধিসহ একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে যুবসমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

‎পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

পবিপ্রবিতে ১৩০২তম ইয়ুথ লিডারশিপ ট্রেনিং অনুষ্ঠিত

Update Time : ১০:৫৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
Print



‎মোঃ সজিব সরদার
‎স্টাফ রিপোর্টার: ‎পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ১৩০২তম ইয়ুথ লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। Building Youth Leadership on Pluralism and Social Harmony ‘বহুত্ববাদ ও সামাজিক সম্প্রীতিতে তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনিষ্ঠিত হয়।

‎ শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ সেমিনার কক্ষে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর পটুয়াখালী জেলা সভাপতি মানস কান্তি দের সভাপতিত্বে ও দি হাঙ্গার প্রজেক্টের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর হাদিউজ্জামান সুজনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি’র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.বি.এম. সাইফুল ইসলাম।
‎বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুজন পটুয়াখালী জেলা প্রচার সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের ট্রেনিং ইউনিটের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর তুহিন আফসারি, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সোহেল রানা, বরিশাল অঞ্চলের রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ শুভ এবং পটুয়াখালী জেলা সমন্বয়কারী মো. নজরুল ইসলাম।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.বি.এম. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমাদের বাংলাদেশ একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। এখানে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মানুষ যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছে। বহুত্ববাদ বা প্লুরালিজম মানেই শুধু সহাবস্থান নয়; এর অর্থ হলো একে অপরের ভিন্নতাকে শ্রদ্ধা করা এবং সেই বৈচিত্র্যকে উদযাপন করা। আর এই বহুত্ববাদের ভিত্তির ওপরই গড়ে ওঠে একটি টেকসই সামাজিক সম্প্রীতি বা সোশ্যাল হারমনি।

‎তিনি বলেন, একটি সমাজ বা রাষ্ট্র কতটা মানবিক ও প্রগতিশীল হবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করে সেই দেশের তরুণ প্রজন্মের ওপর। “তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ”— উল্লেখ করে তিনি তরুণদের দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

‎তরুণ নেতৃত্ব প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, নেতৃত্ব কেবল কোনো পদ-পদবি বা ক্ষমতার বিষয় নয়; নেতৃত্ব হলো দায়িত্ববোধ, সহানুভূতি এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার সক্ষমতা। তিনি তরুণ সমাজকে ঐক্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

‎প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, বহুত্ববাদ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সামাজিক সম্প্রীতি ও সহনশীলতা বৃদ্ধিসহ একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে যুবসমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

‎পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।