পবিপ্রবিতে ১৩০২তম ইয়ুথ লিডারশিপ ট্রেনিং অনুষ্ঠিত
- Update Time : ১০:৫৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
- / ৭ Time View

মোঃ সজিব সরদার
স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ১৩০২তম ইয়ুথ লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। Building Youth Leadership on Pluralism and Social Harmony ‘বহুত্ববাদ ও সামাজিক সম্প্রীতিতে তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনিষ্ঠিত হয়।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ সেমিনার কক্ষে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর পটুয়াখালী জেলা সভাপতি মানস কান্তি দের সভাপতিত্বে ও দি হাঙ্গার প্রজেক্টের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর হাদিউজ্জামান সুজনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি’র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.বি.এম. সাইফুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুজন পটুয়াখালী জেলা প্রচার সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের ট্রেনিং ইউনিটের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর তুহিন আফসারি, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সোহেল রানা, বরিশাল অঞ্চলের রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ শুভ এবং পটুয়াখালী জেলা সমন্বয়কারী মো. নজরুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.বি.এম. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমাদের বাংলাদেশ একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। এখানে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মানুষ যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছে। বহুত্ববাদ বা প্লুরালিজম মানেই শুধু সহাবস্থান নয়; এর অর্থ হলো একে অপরের ভিন্নতাকে শ্রদ্ধা করা এবং সেই বৈচিত্র্যকে উদযাপন করা। আর এই বহুত্ববাদের ভিত্তির ওপরই গড়ে ওঠে একটি টেকসই সামাজিক সম্প্রীতি বা সোশ্যাল হারমনি।
তিনি বলেন, একটি সমাজ বা রাষ্ট্র কতটা মানবিক ও প্রগতিশীল হবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করে সেই দেশের তরুণ প্রজন্মের ওপর। “তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ”— উল্লেখ করে তিনি তরুণদের দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তরুণ নেতৃত্ব প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, নেতৃত্ব কেবল কোনো পদ-পদবি বা ক্ষমতার বিষয় নয়; নেতৃত্ব হলো দায়িত্ববোধ, সহানুভূতি এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার সক্ষমতা। তিনি তরুণ সমাজকে ঐক্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, বহুত্ববাদ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সামাজিক সম্প্রীতি ও সহনশীলতা বৃদ্ধিসহ একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে যুবসমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
















