প্রথম উপাচার্যের স্মরণে পবিপ্রবিতে শোক সভা
- Update Time : ০৭:১৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
- / ১২ Time View

মোঃ সজিব সরদার স্টাফ রিপোর্টারঃ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) প্রথম উপাচার্য দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. এ কে এম আবদুল হান্নান ভূঁইয়ার মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মরণসভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও ড. আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।
স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বদিউজ্জামান, আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. মাহবুব রব্বানী, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাসুদুর রহমান, প্রক্টর প্রফেসর আবুল বাশার খান, উপ-পরিচালক মোঃ মাহফুজুর রহমান সবুজ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. হাচিব মোহাম্মদ তুষার, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনি, কর্মচারী প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন আলম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, “দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান ভূঁইয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাত, বিশেষ করে কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।
তিনি বলেন, দক্ষিণবঙ্গের একটি নবীন বিশ্ববিদ্যালয়কে দূরদর্শী নেতৃত্ব, অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে আমেরিকান কোর্স কারিকুলামের আদলে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন অধ্যাপক ড. এ কে এম আবদুল হান্নান ভূঁইয়া। তাঁর নেতৃত্বেই পবিপ্রবি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বিদ্যাপীঠ হিসেবে বিকশিত হওয়ার ভিত্তি তৈরি করে।
ভাইস-চ্যান্সেলর আরও বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে অধ্যাপক হান্নান ভূঁইয়া সর্বাধিক যোগ্য ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিতেন। তাঁর নিয়োগ দেওয়া অনেক শিক্ষক পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বলেন, “তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষাবিদের বিদায় আমাদের ব্যথিত করেছে। তাঁর চলে যাওয়ায় যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা পূরণ হওয়ার নয়।
স্মরণসভার শুরুতে অধ্যাপক ড. এ কে এম আবদুল হান্নান ভূঁইয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. আব্দুল কুদ্দুস।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

























