ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে আটকে রেখে গণধর্ষণ, মূল অভিযুক্তসহ গ্রেপ্তার ৩

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৬ Time View
Print

​আবু তালেব বিশেষ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে (২৯) আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান অভিযুক্তসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে রূপগঞ্জের বরপা শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই তরুণী মুন্সিগঞ্জ সদরের বাসিন্দা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বরপা শান্তিনগর এলাকার আলমগীর হোসেনের (২২) সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে আলমগীর তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে রূপগঞ্জে ডেকে নিয়ে আসে এবং বিয়ে না করেই বিভিন্ন স্থানে ভুয়া স্ত্রী পরিচয়ে আটকে রাখে। সেখানে আলমগীরসহ তার সহযোগীরা ওই তরুণীর ওপর দফায় দফায় পৈশাচিক নির্যাতন ও গণধর্ষণ চালায়।

গত ২২ আগস্ট রাতে স্থানীয় দুই নারী সহযোগীর প্রত্যক্ষ মদদে তরুণীকে পুনরায় গণধর্ষণ করা হয়। ওই সময় তার ডাক-চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন এবং পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।
​এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা:
• ​আলমগীর হোসেন (২২): প্রধান অভিযুক্ত, পিতা- প্রয়াত সাহেদ আলী।
• ​মোছা. রুনা (২৭): সহযোগী, স্বামী- মো. নাছির।
• ​মোছা. পপি (৩০): সহযোগী, স্বামী- মো. মোমেন।

​পলাতক আসামিরা:
মামলার অপর অভিযুক্ত শাওন (২৫), শুভ (২২), মোস্তফা (২৮) ও জীবন (১৯) বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

​জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (গ-সার্কেল) মেহেদী ইসলাম জানান, প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

রূপগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে আটকে রেখে গণধর্ষণ, মূল অভিযুক্তসহ গ্রেপ্তার ৩

Update Time : ১১:৫৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
Print

​আবু তালেব বিশেষ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে (২৯) আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান অভিযুক্তসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে রূপগঞ্জের বরপা শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই তরুণী মুন্সিগঞ্জ সদরের বাসিন্দা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বরপা শান্তিনগর এলাকার আলমগীর হোসেনের (২২) সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে আলমগীর তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে রূপগঞ্জে ডেকে নিয়ে আসে এবং বিয়ে না করেই বিভিন্ন স্থানে ভুয়া স্ত্রী পরিচয়ে আটকে রাখে। সেখানে আলমগীরসহ তার সহযোগীরা ওই তরুণীর ওপর দফায় দফায় পৈশাচিক নির্যাতন ও গণধর্ষণ চালায়।

গত ২২ আগস্ট রাতে স্থানীয় দুই নারী সহযোগীর প্রত্যক্ষ মদদে তরুণীকে পুনরায় গণধর্ষণ করা হয়। ওই সময় তার ডাক-চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন এবং পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।
​এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা:
• ​আলমগীর হোসেন (২২): প্রধান অভিযুক্ত, পিতা- প্রয়াত সাহেদ আলী।
• ​মোছা. রুনা (২৭): সহযোগী, স্বামী- মো. নাছির।
• ​মোছা. পপি (৩০): সহযোগী, স্বামী- মো. মোমেন।

​পলাতক আসামিরা:
মামলার অপর অভিযুক্ত শাওন (২৫), শুভ (২২), মোস্তফা (২৮) ও জীবন (১৯) বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

​জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (গ-সার্কেল) মেহেদী ইসলাম জানান, প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।