ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমি দস্যু,চাঁদাবাজ হাসু’র অত্যাচার নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৬ Time View
Print

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নের শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহবায়ক ভূমি দস্যু, চাঁদাবাজ হাসনাত হাসু’র অত্যাচার নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে শ্যামনগরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (২৩ আগষ্ট) বিকালে শ্যামনগর সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসের সামনে কাশিমাড়ী ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে শতাধিক নারী পুরুষ এ মানববন্ধন অংশগ্রহণ করে।এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কাশিমাড়ি ইউনিয়নের গাংআটি গ্রামের আলাউদ্দিন সরদারের ছেলে মেহেদী হাসান, নুরুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন সহ নকিপুরের বিউটি পারভিন।মেহেদী হাসান বলেন, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের হাসনাত হাসু আওয়ামী লীগ আমলে দুর্ধর্ষ ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরও হাসনাত হাসুর অত্যাচার নিপীড়ন থেমে যাইনি, তার বাহিনী এখনো এলাকায় সক্রিয়। তার মদদে আমাদের দীর্ঘ ৪০/৫০ বছরের চলাচলের পথ কেটে ধান রোপনের মত নেককার জনক ঘটনা ঘটে। এরপর শ্যামনগর থানা পুলিশের সহায়তায় ধান অপসারণ করে চলার পথ উন্মুক্ত করলেও পুনরায় আবার হাসনাত হাসুর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আবারো পথ কেটে ধান রোপন করে। এ ঘটনায় কোটে উভয় পক্ষের দুটি মামলা হয়। শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে শ্যামনগর থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা নোটিশ জারি করতে আসেন সেই নোটিশ জারির কথোপকথনকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে হাসনাত হাসু সুকৌশলে অনলাইন পোর্টালে ছড়িয়ে দেয়। সেই সংবাদ প্রকাশের বারাত দিয়ে বিরোধী পক্ষের দ্বারা শ্যামনগর থানা পুলিশের দুই কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন। সাদ্দাম হোসেন বলেন, হাসনাত হাসু আওয়ামী লীগের আমলে এলাকার মানুষকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি চাদাবাজি করত। এখন সে আমার জামাইকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। মেহেদীকে বলেছে সাতক্ষীরা যাবি কিভাবে পথে আশাশুনি ব্রিজের নিচেই তোকে মেরে ফেলে রাখবো। ওদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায়না, কথা বললেই হুমকি দেয়।নকিপুর এলাকার বিউটি বলেন, হাসনাত হাসু একটা প্রতারক চাঁদাবাজ তার বিভিন্ন লিডার ক্যাডারদের সাথে সম্পর্ক রয়েছে। সে নিজেকে কোটের মহুরী পরিচয় দিয়ে আমার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেয় একটা মামলার সমাধান করে দেয়ার কথা বলে। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও সে কোন সমাধান করতে পারেনি আমার টাকাও ফেরত দেয়নি। তার বাবার কাছে গেলে বলে আমার ছেলে খারাপ সে বউ বাচ্চা নিয়ে কোথায় আছে জানিনা। তার বিরুদ্ধে কথা বললেই তাকে হুমকি দেয়। একইভাবে শ্যামনগর থানা পুলিশের দুই অফিসারকে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, আমাদের আইনী সহায়তা প্রদান করায় দুই অফিসার এসআই আমিরুজ্জামান ও এএসআই ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনায় ফ্যাসিস্ট হাসনাত হাসু সহ তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ভূমি দস্যু,চাঁদাবাজ হাসু’র অত্যাচার নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

Update Time : ০৮:১২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
Print

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নের শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহবায়ক ভূমি দস্যু, চাঁদাবাজ হাসনাত হাসু’র অত্যাচার নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে শ্যামনগরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (২৩ আগষ্ট) বিকালে শ্যামনগর সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসের সামনে কাশিমাড়ী ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে শতাধিক নারী পুরুষ এ মানববন্ধন অংশগ্রহণ করে।এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কাশিমাড়ি ইউনিয়নের গাংআটি গ্রামের আলাউদ্দিন সরদারের ছেলে মেহেদী হাসান, নুরুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন সহ নকিপুরের বিউটি পারভিন।মেহেদী হাসান বলেন, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের হাসনাত হাসু আওয়ামী লীগ আমলে দুর্ধর্ষ ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরও হাসনাত হাসুর অত্যাচার নিপীড়ন থেমে যাইনি, তার বাহিনী এখনো এলাকায় সক্রিয়। তার মদদে আমাদের দীর্ঘ ৪০/৫০ বছরের চলাচলের পথ কেটে ধান রোপনের মত নেককার জনক ঘটনা ঘটে। এরপর শ্যামনগর থানা পুলিশের সহায়তায় ধান অপসারণ করে চলার পথ উন্মুক্ত করলেও পুনরায় আবার হাসনাত হাসুর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আবারো পথ কেটে ধান রোপন করে। এ ঘটনায় কোটে উভয় পক্ষের দুটি মামলা হয়। শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে শ্যামনগর থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা নোটিশ জারি করতে আসেন সেই নোটিশ জারির কথোপকথনকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে হাসনাত হাসু সুকৌশলে অনলাইন পোর্টালে ছড়িয়ে দেয়। সেই সংবাদ প্রকাশের বারাত দিয়ে বিরোধী পক্ষের দ্বারা শ্যামনগর থানা পুলিশের দুই কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন। সাদ্দাম হোসেন বলেন, হাসনাত হাসু আওয়ামী লীগের আমলে এলাকার মানুষকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি চাদাবাজি করত। এখন সে আমার জামাইকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। মেহেদীকে বলেছে সাতক্ষীরা যাবি কিভাবে পথে আশাশুনি ব্রিজের নিচেই তোকে মেরে ফেলে রাখবো। ওদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায়না, কথা বললেই হুমকি দেয়।নকিপুর এলাকার বিউটি বলেন, হাসনাত হাসু একটা প্রতারক চাঁদাবাজ তার বিভিন্ন লিডার ক্যাডারদের সাথে সম্পর্ক রয়েছে। সে নিজেকে কোটের মহুরী পরিচয় দিয়ে আমার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেয় একটা মামলার সমাধান করে দেয়ার কথা বলে। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও সে কোন সমাধান করতে পারেনি আমার টাকাও ফেরত দেয়নি। তার বাবার কাছে গেলে বলে আমার ছেলে খারাপ সে বউ বাচ্চা নিয়ে কোথায় আছে জানিনা। তার বিরুদ্ধে কথা বললেই তাকে হুমকি দেয়। একইভাবে শ্যামনগর থানা পুলিশের দুই অফিসারকে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, আমাদের আইনী সহায়তা প্রদান করায় দুই অফিসার এসআই আমিরুজ্জামান ও এএসআই ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনায় ফ্যাসিস্ট হাসনাত হাসু সহ তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।