রাজাপুরে শিক্ষার মানোন্নয়ন সেমিনার ও শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।
- Update Time : ১১:১৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৬ Time View

মোঃকামরুল হাসান রানা
ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি।
ঝালকাঠির রাজাপুরে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে সেমিনার এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা অডিটরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য জনাব রফিকুল ইসলাম জামাল।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত ২৭ জন শিক্ষার্থী এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৩৪ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও স্কুল ব্যাগ তুলে দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকতার হোসেন বলেন, বিদ্যালয়গুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান আরও উন্নত করা সম্ভব।
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মাহমুদ বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, পাঠদানের পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের ফলাফলের দিকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও রিফাত আরা মৌরি বলেন, উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সমন্বয়ে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে প্রশাসন কাজ করবে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা গৌতম মণ্ডল। অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবুল খায়ের রাসেল, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল হক নান্টু, যুবদলের আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ পারভেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে শিক্ষকরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। আলোচনায় রাজাপুরের ১২৪টি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম, বিদ্যালয়গুলোর এ, বি, সি ও ডি ক্যাটাগরি এবং পিছিয়ে থাকা বিদ্যালয়গুলোকে উন্নত করে এ ক্যাটাগরিতে নেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব উঠে আসে। এছাড়া কয়েকটি বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসহ অবকাঠামোগত সমস্যার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

























