ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাতক্ষীরা সদর বৈচানায় দা ও লোহার রডের হামলার অভিযোগে,থানায় মামলা

Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • / ১১ Time View
Print

মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন সাতক্ষীরা।। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈচানা এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় এক ব্যক্তি ও তার ছেলে গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৈকারী গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহমুদ হাসান তার ভগ্নিপতি আশরাফ উদ্দিনের পক্ষে বুধবার (২৯ জুলাই) থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বৈচানা মৌজার জমি নিয়ে আশরাফ উদ্দিনের সঙ্গে তার বৈমাত্রেয় ভাই আজহারুল ইসলাম শিমুল ও আক্তারুল ইসলামের বিরোধ চলছিল। এর আগে জমি মাপজোখ ও সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার সকালে পুনরায় জমি মাপজোখ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পল্লীশ্রী চার রাস্তার মোড়ে আশরাফ উদ্দিন ও তার ছেলে ওমর ফারুকের পথরোধ করা হয়। এ সময় অভিযুক্তরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। প্রধান অভিযুক্ত আজহারুল ইসলাম শিমুল ধারালো দা দিয়ে আশরাফ উদ্দিনের মাথায় একাধিক কোপ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত হন।

এছাড়া অপর অভিযুক্ত আক্তারুল ইসলাম লোহার রড দিয়ে আশরাফ উদ্দিনের ছেলে ওমর ফারুককে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে আশরাফ উদ্দিনের জামার পকেটে থাকা নগদ ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের চিকিৎসা প্রদান করেন এবং হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

ঘটনার বিষয়ে মোছা. ফাতেমা খাতুন ও মো. ইব্রাহিম খলিলসহ স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আজহারুল ইসলাম শিমুল, আক্তারুল ইসলাম ও রইচ উদ্দিন দফাদারের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাতক্ষীরা সদর বৈচানায় দা ও লোহার রডের হামলার অভিযোগে,থানায় মামলা

Update Time : ১২:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Print

মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন সাতক্ষীরা।। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈচানা এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় এক ব্যক্তি ও তার ছেলে গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৈকারী গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহমুদ হাসান তার ভগ্নিপতি আশরাফ উদ্দিনের পক্ষে বুধবার (২৯ জুলাই) থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বৈচানা মৌজার জমি নিয়ে আশরাফ উদ্দিনের সঙ্গে তার বৈমাত্রেয় ভাই আজহারুল ইসলাম শিমুল ও আক্তারুল ইসলামের বিরোধ চলছিল। এর আগে জমি মাপজোখ ও সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার সকালে পুনরায় জমি মাপজোখ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পল্লীশ্রী চার রাস্তার মোড়ে আশরাফ উদ্দিন ও তার ছেলে ওমর ফারুকের পথরোধ করা হয়। এ সময় অভিযুক্তরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। প্রধান অভিযুক্ত আজহারুল ইসলাম শিমুল ধারালো দা দিয়ে আশরাফ উদ্দিনের মাথায় একাধিক কোপ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত হন।

এছাড়া অপর অভিযুক্ত আক্তারুল ইসলাম লোহার রড দিয়ে আশরাফ উদ্দিনের ছেলে ওমর ফারুককে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে আশরাফ উদ্দিনের জামার পকেটে থাকা নগদ ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের চিকিৎসা প্রদান করেন এবং হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

ঘটনার বিষয়ে মোছা. ফাতেমা খাতুন ও মো. ইব্রাহিম খলিলসহ স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আজহারুল ইসলাম শিমুল, আক্তারুল ইসলাম ও রইচ উদ্দিন দফাদারের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।