এতিম খানার বিরুদ্ধে সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ।
- Update Time : ১১:০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
- / ২১ Time View

স্টাপ রিপোর্টার পিরোজপুর।
ইসলাম একটি পবীত্র ও শান্তির শ্রেষ্ট ধর্ম।আর এই ধর্ম পরিচালিত হয় বিখ্যাত ধর্মগ্রন্হ পবীত্র কোরানুল কারীমের নির্দেশনা অনুসারে।আর এই পবীত্র কোরানুল কারীম যারা মুখস্হ করে তারা হাফেজ নামে খ্যাত।মৃত্যুর পর নাকি হাফেজদের ছিনা বিনষ্ট হবে না।
এটা যদি পবীত্র কোরানের বানী হয় তাহলে ইসলামের প্রঘম খলিফা হযরত আবুবকর সিদ্দিক রাঃ কোরানে হাফেজ ছিল।সে তো কাপড়ের ব্যবসা করে খেত।মসজিদের ইমামতি করে যে টাকা পেত মৃত্যুর পর তার কন্যা আয়শা রাঃ রাষ্টীয় কোষাঘড়ে টাকা জমা দিয়ে তাকে কবরে সমাহিত করা হয়েছিল।
ঐ ইসলাম আর আবুবকর রাঃ এর অনুসারী যদি এই হাফেজ হয় তাহলে এই হাফেজ এখন হারামী ব্যবসায় পরিনত হয়েছে কেন?।
পিরোজপুর জেলার মঠবাড়ীয়া উপজেলায় ২৮ টি এতিম খানা রয়েছে।তার মধ্যে সাপলেজা দুইটা এতিম খানা।
১/সাপলেজা নেছারিয়া হাসান হোসাইন এতিম খানা।এখানে বিধি অনুসারে ১০০ এতিম থাকার কথা।১০০ শত এতিম থাকলে ৫২ জনার সরকারী অর্থ পাবে। কিন্তু এতিম নাই একজন ও নামে বেনামে ১০/১২ জন ছাত্র আছে।আর সরকারী অর্থ উত্তোলন হয় ২০ লক্ষ টাকা।আর দেশী বিদেশী সাহায্য জমা হয়২০ লক্ষ টাকা।অন্য দিকে সাপেলেজা বায়তুস শরফ লায়লা মালেকিয়া লেল্লাহ বোডিং এখানে ৬০ জন এতিম থাকার কথা।কিন্তু ছাত্র আছে ৭/৮ জন।তাও ২৫-৩০ বছর বয়স।এখানে বরাদ্ধ আসে ৩২ জনার ১০-১২ লক্ষ টাকা।মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অনুদান দেয় ১০- ১৫ লক্ষ টাকা।এ সকল মাদারাসায় দুই জন নামে মাত্র হাফেজ থাকলে ও ক্লাশ হয় না বললেই চলে।
এ সকল এতিম খানা নিয়ে জন মনে আলোচনা সমালোনার ঝড় তুঙ্গে।এলাকা বাসীদের দাবী এই ভন্ডামী ব্যবসা বন্ধ করা হোক।
এদিকে সমাজ সেবা অফিসার মঠবাড়ীয়া কোন তদারকি ছাড়া ২৫% চুক্তিতে পকেটে টাকা পাওয়ার পর সাজানো গোছানো সকল ফরমায়েশী বিলে স্বাক্ষর করে বিল ছেড়ে দেন। মঠবাড়ীয়ার ২৮ এতিম খানার ৬/৭ টি নিয়ম নীতি অনুসরন করলে ও বাকী মাদ্রাসা গুলো জাল জালিয়াতির আশ্রায় নিয়ে এই ব্যবসায় কোটিপতি।আর এই সকল এতিম খানার হাফেজরা মিলাদ,কবর জিয়ারত কোরান খতম,বকশিশের নামে সরলমনা মানুষের নিকট থেকে হাতিয়ে নিতেছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
বিষয়টি নিয়ে সমাস সেবা অফিসার আবুল হাসানের মুঠো ফোনে যোগা যোগ করলে সে পাশ কাটিয়ে উত্তর দেয়।
























