ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭০০ শিক্ষার্থী, সন্তোষজনক ফলাফল; তবু জাতীয়করণ হয়নি দুমকি এ.কে. মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ‎

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪০ Time View
Print

‎মোঃ সজিব সরদার
‎স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে আপতুন নেছা খাতুন বহুমুখী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বৃহস্পতিবার(৬ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন।
‎বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসা. মাহমুদা আখতারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনু, সাবেক ছাত্রনেতা বশির উদ্দিন মৃধা, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম লিটন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লব, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলম মৃধা,সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাসুদ আলম মৃধা, উপজেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক মাসুদ হাসান সরদার ও জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল-আমিন হাওলাদার সহ বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।

‎পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পরিবেশ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

‎সভায় প্রধান শিক্ষক মোসা. মাহমুদা আখতার বলেন, বিদ্যালয়টি সাবেক মন্ত্রী এম কেরামত আলীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে জাতীয়করণের বাইরে রাখা হয়েছে। অথচ বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে এবং প্রতিবছর সন্তোষজনক ফলাফল অর্জিত হচ্ছে।

‎তিনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দ্রুত জাতীয়করণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

‎প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিদ্যালয়ের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

৭০০ শিক্ষার্থী, সন্তোষজনক ফলাফল; তবু জাতীয়করণ হয়নি দুমকি এ.কে. মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ‎

Update Time : ০৯:২৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
Print

‎মোঃ সজিব সরদার
‎স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে আপতুন নেছা খাতুন বহুমুখী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বৃহস্পতিবার(৬ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন।
‎বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসা. মাহমুদা আখতারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনু, সাবেক ছাত্রনেতা বশির উদ্দিন মৃধা, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম লিটন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লব, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলম মৃধা,সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাসুদ আলম মৃধা, উপজেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক মাসুদ হাসান সরদার ও জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল-আমিন হাওলাদার সহ বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।

‎পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পরিবেশ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

‎সভায় প্রধান শিক্ষক মোসা. মাহমুদা আখতার বলেন, বিদ্যালয়টি সাবেক মন্ত্রী এম কেরামত আলীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে জাতীয়করণের বাইরে রাখা হয়েছে। অথচ বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে এবং প্রতিবছর সন্তোষজনক ফলাফল অর্জিত হচ্ছে।

‎তিনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দ্রুত জাতীয়করণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

‎প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিদ্যালয়ের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।