ঢাকা ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, পালিয়েছে রণতরী: আইআরজিসি

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / ১৩০ Time View
Print

ইরানের ‘ট্রু প্রমিজ ৪’ প্রতিশোধমূলক অভিযানের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ জনেরও বেশি মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত বা আহত হয়েছে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর আইআরজিসি মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে এই বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়।

আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়েনি জানান, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইরানি উপকূলীয় জলসীমা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

জেনারেল নায়েিনি দাবি করেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ জন মার্কিন সেনা হতাহত হলেও যুক্তরাষ্ট্র স্বাভাবিকভাবেই এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করছে। তবে ইরানি গোয়েন্দা সংস্থা এবং যুদ্ধক্ষেত্রের নির্ভুল রিপোর্ট অনুযায়ী এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ করে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দপ্তরে বারবার হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট স্থাপনায় হামলায় প্রায় ১৬০ জন মার্কিন কর্মী হতাহত হয়েছে বলে ইরান দাবি করেছে।

এছাড়া ইরানি নৌবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরানি নৌবাহিনী। এই হামলার পরই রণতরীটি ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পিছু হটতে শুরু করে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, পালিয়েছে রণতরী: আইআরজিসি

Update Time : ০৪:০৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
Print

ইরানের ‘ট্রু প্রমিজ ৪’ প্রতিশোধমূলক অভিযানের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ জনেরও বেশি মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত বা আহত হয়েছে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর আইআরজিসি মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে এই বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়।

আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়েনি জানান, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইরানি উপকূলীয় জলসীমা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

জেনারেল নায়েিনি দাবি করেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ জন মার্কিন সেনা হতাহত হলেও যুক্তরাষ্ট্র স্বাভাবিকভাবেই এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করছে। তবে ইরানি গোয়েন্দা সংস্থা এবং যুদ্ধক্ষেত্রের নির্ভুল রিপোর্ট অনুযায়ী এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ করে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দপ্তরে বারবার হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট স্থাপনায় হামলায় প্রায় ১৬০ জন মার্কিন কর্মী হতাহত হয়েছে বলে ইরান দাবি করেছে।

এছাড়া ইরানি নৌবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরানি নৌবাহিনী। এই হামলার পরই রণতরীটি ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পিছু হটতে শুরু করে।