ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে চাঞ্চল্যকর তিন বছরের শিশু সাইমা আক্তার সাবা হত্যার দায়ে একমাত্র আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৪ Time View
Print

রাসেল হোসেন ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-

ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি গ্রামের সাড়ে তিন বছরের শিশু সাইমা আক্তার সাবা হত্যা মামলার একমাত্র আসামি শান্তনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ হেলাল উদ্দীন এ রায় দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর পবহাটি গ্রামের সাইদুল ইসলামের সাড়ে তিন বছরের মেয়ে সাইমা আক্তার সাবা খেলতে গিয়ে নিখোজ হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ঝিনাইদহ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ওই দিন রাতে প্রতিবেশী আক্তারুজ্জামান মাসুমের ঘর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মাসুমের স্ত্রী শান্তনা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আটক করে। পরে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখায়। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ২৭ দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। মামলার সাক্ষী শুনানী শেষে আদালত আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন। সেই সাথে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামী শান্তনা খাতুন শহরের পবহাটি গ্রামের আক্তারুজ্জামান মাসুমের স্ত্রী।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ঝিনাইদহে চাঞ্চল্যকর তিন বছরের শিশু সাইমা আক্তার সাবা হত্যার দায়ে একমাত্র আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড

Update Time : ০৫:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

রাসেল হোসেন ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-

ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি গ্রামের সাড়ে তিন বছরের শিশু সাইমা আক্তার সাবা হত্যা মামলার একমাত্র আসামি শান্তনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ হেলাল উদ্দীন এ রায় দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর পবহাটি গ্রামের সাইদুল ইসলামের সাড়ে তিন বছরের মেয়ে সাইমা আক্তার সাবা খেলতে গিয়ে নিখোজ হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ঝিনাইদহ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ওই দিন রাতে প্রতিবেশী আক্তারুজ্জামান মাসুমের ঘর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মাসুমের স্ত্রী শান্তনা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আটক করে। পরে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখায়। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ২৭ দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। মামলার সাক্ষী শুনানী শেষে আদালত আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন। সেই সাথে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামী শান্তনা খাতুন শহরের পবহাটি গ্রামের আক্তারুজ্জামান মাসুমের স্ত্রী।