👥 প্রতিনিধি তালিকা 📰 ই-পেপার
ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুমকীতে হালটের জমিতে কবরস্থান,সাংবাদিক পরিবারের পথ বন্ধের অভিযোগ

‎ ‎সজিব সরদার,‎স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : ১০:০১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২ Time View
Print

পটুয়াখালীর দুমকীতে ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেকর্ডভুক্ত হালটের জমিতে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার সিকদার এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। আমার দেশ পত্রিকার দুমকি প্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেনের পরিবারের বাড়িতে যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
‎‎উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আঠারগাছিয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
‎

‎মৌজা নকশা অনুযায়ী, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটটি ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেকর্ডভুক্ত হালট। উপজেলা ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিনও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই হালটের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কবরস্থান হিসেবে ব্যবহার করে আসছে আবদুল জব্বার সিকদারের পরিবার। কয়েক মাস আগে কবরস্থানের পাশ দিয়ে চলাচলের সুবিধার্থে প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন সেখানে একটি পথ নির্মাণ করেন।
‎
‎গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে কামাল হোসেনের তৈরি চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে তাঁর পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে।
‎
‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ওই স্থানে জব্বার সিকদারের পরিবারের সদস্যদের দাফন করা হলেও কামাল হোসেনের চলাচলের পথ নিয়ে আগে কোনো বিরোধ ছিল না।
‎
‎কামাল হোসেন বলেন, কবরস্থানের পাশ দিয়ে চলাচলের জন্য তিনি একটি পথ নির্মাণ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে জব্বার সিকদারের পরিবার সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের নামে চলাচলের পথ বন্ধ করার চেষ্টা করছে।
‎
‎অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুল জব্বার সিকদার বলেন, জায়গাটি তাঁদের বাপ-দাদার আমলের পারিবারিক কবরস্থান এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন।
‎
‎উপজেলা ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন বলেন, জমিটি ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেকর্ডভুক্ত। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ড সদস্যের বক্তব্যও নেওয়া যেতে পারে। আগামী সোমবার সরেজমিনে মাপজোখ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
‎
‎জমিটি ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেকর্ডভুক্ত হালট, নাকি পারিবারিক কবরস্থানের ব্যক্তি মালিকানাধীন অংশ—এ বিষয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন দাবি রয়েছে। স্থানীয়রা আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের রেকর্ড ও মৌজা নকশা অনুযায়ী সরেজমিনে সীমানা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।
‎

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

দুমকীতে হালটের জমিতে কবরস্থান,সাংবাদিক পরিবারের পথ বন্ধের অভিযোগ

Update Time : ১০:০১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
Print

পটুয়াখালীর দুমকীতে ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেকর্ডভুক্ত হালটের জমিতে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার সিকদার এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। আমার দেশ পত্রিকার দুমকি প্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেনের পরিবারের বাড়িতে যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
‎‎উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আঠারগাছিয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
‎

‎মৌজা নকশা অনুযায়ী, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটটি ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেকর্ডভুক্ত হালট। উপজেলা ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিনও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই হালটের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কবরস্থান হিসেবে ব্যবহার করে আসছে আবদুল জব্বার সিকদারের পরিবার। কয়েক মাস আগে কবরস্থানের পাশ দিয়ে চলাচলের সুবিধার্থে প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন সেখানে একটি পথ নির্মাণ করেন।
‎
‎গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে কামাল হোসেনের তৈরি চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে তাঁর পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে।
‎
‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ওই স্থানে জব্বার সিকদারের পরিবারের সদস্যদের দাফন করা হলেও কামাল হোসেনের চলাচলের পথ নিয়ে আগে কোনো বিরোধ ছিল না।
‎
‎কামাল হোসেন বলেন, কবরস্থানের পাশ দিয়ে চলাচলের জন্য তিনি একটি পথ নির্মাণ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে জব্বার সিকদারের পরিবার সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের নামে চলাচলের পথ বন্ধ করার চেষ্টা করছে।
‎
‎অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুল জব্বার সিকদার বলেন, জায়গাটি তাঁদের বাপ-দাদার আমলের পারিবারিক কবরস্থান এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন।
‎
‎উপজেলা ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন বলেন, জমিটি ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেকর্ডভুক্ত। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ড সদস্যের বক্তব্যও নেওয়া যেতে পারে। আগামী সোমবার সরেজমিনে মাপজোখ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
‎
‎জমিটি ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেকর্ডভুক্ত হালট, নাকি পারিবারিক কবরস্থানের ব্যক্তি মালিকানাধীন অংশ—এ বিষয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন দাবি রয়েছে। স্থানীয়রা আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের রেকর্ড ও মৌজা নকশা অনুযায়ী সরেজমিনে সীমানা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।
‎