ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাণীশংকৈল হাসপাতলে এন্টিভেনম সংকট :এলাকাবাসীর কপালে দুচিন্তার ভাঁজ…

Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • / ১৪ Time View
Print

একে আজাদ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি…
বর্তমানে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে সাপের কামড়ের চিকিৎসার জন্য ২টি এন্টিভেনম রয়েছে। এছাড়া সিভিল সার্জনের নির্দেশনায় পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আরও ১০ ভায়েল এন্টিভেনম আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজ অথবা আগামীকালের মধ্যেই এসব এন্টিভেনম রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছাবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহমেদ।

বর্ষাকালে নদী-নালা ও খাল-বিলের পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে সাপের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। সম্প্রতি রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপে কাটার প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) সবসসময় না থাকায় সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে—যা অত্যন্ত স্বাভাবিক ও উদ্বেগের বিষয়।
​জনস্বার্থে ও সচেতনতা বাড়াতে বার্তাটি সবার সাথে শেয়ার করুন:

​জরুরি স্বাস্থ্য সতর্কতা ও আমাদের করণীয়
​নিজের ও পরিবারের খেয়াল রাখুন: বিষধর সাপের কামড় থেকে বাঁচতে এই সময়ে নিজে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন এবং বিশেষ করে সন্তানদের ওপর কড়া নজর রাখুন।

​জরুরি চিকিৎসার বিকল্প ঠিকানা: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টিভেনম পর্যাপ্ত না থাকলে, সময় নষ্ট না করে রোগীকে অবিলম্বে ঠাকুরগাঁও জেলা সদর হাসপাতাল অথবা দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন।

​সাপে কাটলে কী করবেন এবং কী করবেন না
​১. ভুল চিকিৎসায় সময় নষ্ট করবেন না
ওঝা বা কবিরাজের কাছে গিয়ে ঝাড়ফুঁক করানো অত্যন্ত বিপজ্জনক ও জীবননাশের কারণ হতে পারে। বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা ছাড়া সাপের বিষ দূর করা সম্ভব নয়।
​২. রোগীকে শান্ত ও স্থির রাখুন
আতঙ্কিত হলে বা হাত-পা বেশি নাড়াচাড়া করলে রক্তসঞ্চালনের মাধ্যমে শরীরে দ্রুত বিষ ছড়িয়ে পড়ে। তাই রোগীকে যথাসম্ভব শান্ত ও স্থির রাখুন।
​৩. ভুল বাঁধন ও কাটাকাটি এড়িয়ে চলুন
কামড় দেওয়ার স্থানে শক্ত রশি বা তার দিয়ে বাঁধন দেবেন না এবং স্থানটি কেটে রক্ত বের করার চেষ্টা করবেন না। এতে অঙ্গহানি বা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
​৪. দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছান প্রাথমিক পদক্ষেপ শেষেই কালবিলম্ব না করে রোগীকে দ্রুত নিকটস্থ বড় হাসপাতালে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন।

​সচেতনতাই পারে একটি মূল্যবান জীবন বাঁচাতে। নিজে সতর্ক থাকুন, অন্যকেও সচেতন করুন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

রাণীশংকৈল হাসপাতলে এন্টিভেনম সংকট :এলাকাবাসীর কপালে দুচিন্তার ভাঁজ…

Update Time : ১২:৩২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
Print

একে আজাদ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি…
বর্তমানে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে সাপের কামড়ের চিকিৎসার জন্য ২টি এন্টিভেনম রয়েছে। এছাড়া সিভিল সার্জনের নির্দেশনায় পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আরও ১০ ভায়েল এন্টিভেনম আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজ অথবা আগামীকালের মধ্যেই এসব এন্টিভেনম রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছাবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহমেদ।

বর্ষাকালে নদী-নালা ও খাল-বিলের পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে সাপের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। সম্প্রতি রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপে কাটার প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) সবসসময় না থাকায় সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে—যা অত্যন্ত স্বাভাবিক ও উদ্বেগের বিষয়।
​জনস্বার্থে ও সচেতনতা বাড়াতে বার্তাটি সবার সাথে শেয়ার করুন:

​জরুরি স্বাস্থ্য সতর্কতা ও আমাদের করণীয়
​নিজের ও পরিবারের খেয়াল রাখুন: বিষধর সাপের কামড় থেকে বাঁচতে এই সময়ে নিজে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন এবং বিশেষ করে সন্তানদের ওপর কড়া নজর রাখুন।

​জরুরি চিকিৎসার বিকল্প ঠিকানা: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টিভেনম পর্যাপ্ত না থাকলে, সময় নষ্ট না করে রোগীকে অবিলম্বে ঠাকুরগাঁও জেলা সদর হাসপাতাল অথবা দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন।

​সাপে কাটলে কী করবেন এবং কী করবেন না
​১. ভুল চিকিৎসায় সময় নষ্ট করবেন না
ওঝা বা কবিরাজের কাছে গিয়ে ঝাড়ফুঁক করানো অত্যন্ত বিপজ্জনক ও জীবননাশের কারণ হতে পারে। বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা ছাড়া সাপের বিষ দূর করা সম্ভব নয়।
​২. রোগীকে শান্ত ও স্থির রাখুন
আতঙ্কিত হলে বা হাত-পা বেশি নাড়াচাড়া করলে রক্তসঞ্চালনের মাধ্যমে শরীরে দ্রুত বিষ ছড়িয়ে পড়ে। তাই রোগীকে যথাসম্ভব শান্ত ও স্থির রাখুন।
​৩. ভুল বাঁধন ও কাটাকাটি এড়িয়ে চলুন
কামড় দেওয়ার স্থানে শক্ত রশি বা তার দিয়ে বাঁধন দেবেন না এবং স্থানটি কেটে রক্ত বের করার চেষ্টা করবেন না। এতে অঙ্গহানি বা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
​৪. দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছান প্রাথমিক পদক্ষেপ শেষেই কালবিলম্ব না করে রোগীকে দ্রুত নিকটস্থ বড় হাসপাতালে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন।

​সচেতনতাই পারে একটি মূল্যবান জীবন বাঁচাতে। নিজে সতর্ক থাকুন, অন্যকেও সচেতন করুন।