অসহায় কঠিন রোগে আক্রান্ত পিন্টুর পরিবারের সাহায্যের আবেদন
- Update Time : ১২:৩৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
- / ৯ Time View

মো: এরশাদ আলী
স্টাফ রিপোর্টার।
অতি অসহায় এবং কঠিন রোগে আক্রান্ত মো: পিন্টু। বয়স তার প্রায় ৫০ বছর। রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার তানোর পৌরসভার অর্ন্তভুক্ত ০৭ নং ওয়ার্ডের রায়তান বাজে আচকা (বানিয়া পাড়া) গ্রামে হত দরিদ্র অসুস্থ পিন্টুর বাড়ি। এই বাড়িতে গেলে হৃদয় দেখা যাবে অসহায় মানুষ কাকে বলে। এই বাড়িতে সদস্য চারজন। অসুস্থ পিন্টুর বৃদ্ধ মা-বাবা ও পিন্টুর একমাত্র ছেলে মো: তারেক রহমান ছেলে। ছেলের বয়স প্রায় ২০ বছর। একদিকে পিন্টু নিজে কঠি দুরারোগ্যে আক্রান্ত। পুরু শরীর তার বর্তমানে প্যারালাসিস। কোনভাবেই পিন্টু নিজে উঠতে বসতে পারেন না। অসুস্থ পিন্টুকে ধরে সব কিছু করাতে হয়। শুধু চেয়ে চেয়ে মানুষ দেখেন আর মিনতি করতে থাকেন পিন্টু।
অন্যদিকে পরিবারে বৃদ্ধ অসহায় গরীব মা-বাবা। বয়স মা-বাবার প্রায় ৬৫- ৭০ বছর। এই অসহায় গরীব পরিবারে পিন্টুর একমাত্র ছেলে মো: তারেক রহমান কে পড়াশোনা ছেড়ে জীবনের তাগিদে অসুস্থ বাবা এবং দাদা- দাদীর কঠিন দায়িত্ব ঘাড়ে তুলে নিতে হয়েছে। অসহায় পরিবারের জন্য হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করেও অসহায় পরিবারের নুন্যতম চাহিদা মেটাতে পারছেন না তারেক রহমান। তাদের বসবাস রত বাড়ির জায়গা টিও অন্য মানুষ দের বলে জানা যায়। আসলে একটি পরিবার যে কত অসহায় ভাবে অতি কষ্টে জীবন যাপন করেন তার দৃষ্টান্ত উদাহরণ এই পরিবারটি। চিকিৎসা করানো দুরের কথা, তিনবেলা পেটে খাবার জোটে না এই অসহায় পরিবারের। ঘরের টিন গুলো ভেঙে চৌচির হয়ে অনেক ঝুঁকি পূর্ণ হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানি ও রোদের সঙ্গে যুদ্ধ করে চলতে হয় অসহায় অসুস্থ মানুষ দের কে।
এমন কঠিন অসহায় পিন্টু ও তার অসহায় মা-বাবার জন্য এক কথায় গরীব পরিবারের জন্য সমাজের বিত্তবান দের নিকট থেকে এবং প্রশাসনের নিকট থেকে আর্থিক সহযোগিতা করা জরুরি হয়ে দাড়িয়েছে।



















