ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শার্শার কাচ্চি ঘরে খিচুড়ির ভিতরে পাওয়া গেল (Millipeda 🐛) কেন্নো!

Reporter Name
  • Update Time : ১২:২২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • / ৩৪ Time View
Print

আসাদ,ষ্টাফ রিপোর্টার :–

চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শার্শার বাগআচড়া জনপদের জনগণ। কাচ্চি ঘর নামক রেস্তোরায় খিচুড়িতে মিলল (Millipeda 🐛) কেন্নো!

২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়কের-গা- ঘেঁষে বাগআঁচড়া বাজারের ফুটপথের উপর দাঁড়িয়ে থাকা কাচ্চি ঘরে এই অস্বাস্থ্যকর খাবার চিহ্নিত হয।

বাগআচড়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল আলীমের ছেলে আবু রায়হান সকালের নাস্তার জন্য একই বাজারে অবস্থিত কাচ্চি ঘর থেকে ২ প্যাকেট খিচুড়ি ক্রয় করেন। কয়েক লোকমা খাওয়ার পরেই তার চোখে ধরা পড়ে এক বৃহৎ আকারের Millipeda 🐛) কেন্নো!!বিষয়টি স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও আশেপাশের লোকজনদেরকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে কয়েকজন উপস্থিত হয় এবং খাবারের ভিতরে থাকা পোকা-কেন্নো বলে নিশ্চিত হয়-যাহা খাদ্য সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের চরম হুমকি।

তাৎক্ষণিকভাবে হোটেলের মালিক ও ম্যানেজারের কাছে জিজ্ঞাসা করা হলে এটি কেন্নো কিনা জানতে চাওয়া হলে তারা বলেন আমরা বুঝতে পারছি না।

একই সাথে এই ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলেওয়াহিদের নিকটে জানানো হলে তিনি বলেন অতিদ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

​খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম। কিন্তু সেই খাবারই যদি হয়ে ওঠে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কিংবা অস্বস্তির কারণ, তবে তা কেবল অপেশাদারত্ব নয়—জনস্বাস্থ্যের প্রতি চরম অবহেলাও বটে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে চাঞ্চল্য ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​ছবি ও ভিডিও সংবলিত প্রতিবেদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মন্তব্যে নানা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে সাধারণ ভুল বা অসাবধানতা বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও, প্রত্যক্ষদর্শীরা কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছেন। স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন সংগঠনের পেজ থেকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।

​একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে, যেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ অর্থ খরচ করে খাবার গ্রহণ করেন, সেখানে রান্নাবান্না ও পরিবেশনে সর্বনিম্ন স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। গৃহস্থালি রান্নার অসাবধানতা আর ব্যবসার উদ্দেশ্যে পরিবেশিত খাবারের চরম অপরিচ্ছন্নতাকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। খাদ্যে অখাদ্য বা পোকা-মাকড় থাকা কেবল গ্রাহকের বিরক্তির কারণ নয়, এটি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও খাদ্য বিষক্রিয়ার (Food Poisoning) পথ সুগম করে।

​খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা সময়ের দাবি। শার্শার বাগআঁচড়া বাজারের এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন:

​নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের উচিত দ্রুত উক্ত রেস্তোরাঁয় অভিযান পরিচালনা করা।

​নিয়মিত নজরদারি: শুধু ঘটনার পরই নয়, বরং স্থানীয় হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোর রান্নাঘরের পরিবেশ নিয়মিত পরিদর্শন ও তদারকি করা প্রয়োজন।

​সচেতনতা ও জবাবদিহিতা: ব্যবসায়ীদের মনে রাখা উচিত—খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা কোনো দয়া নয়, বরং আইনি বাধ্যবাধকতা।

​​জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এবং বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপ প্রত্যাশিত।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

শার্শার কাচ্চি ঘরে খিচুড়ির ভিতরে পাওয়া গেল (Millipeda 🐛) কেন্নো!

Update Time : ১২:২২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
Print

আসাদ,ষ্টাফ রিপোর্টার :–

চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শার্শার বাগআচড়া জনপদের জনগণ। কাচ্চি ঘর নামক রেস্তোরায় খিচুড়িতে মিলল (Millipeda 🐛) কেন্নো!

২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়কের-গা- ঘেঁষে বাগআঁচড়া বাজারের ফুটপথের উপর দাঁড়িয়ে থাকা কাচ্চি ঘরে এই অস্বাস্থ্যকর খাবার চিহ্নিত হয।

বাগআচড়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল আলীমের ছেলে আবু রায়হান সকালের নাস্তার জন্য একই বাজারে অবস্থিত কাচ্চি ঘর থেকে ২ প্যাকেট খিচুড়ি ক্রয় করেন। কয়েক লোকমা খাওয়ার পরেই তার চোখে ধরা পড়ে এক বৃহৎ আকারের Millipeda 🐛) কেন্নো!!বিষয়টি স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও আশেপাশের লোকজনদেরকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে কয়েকজন উপস্থিত হয় এবং খাবারের ভিতরে থাকা পোকা-কেন্নো বলে নিশ্চিত হয়-যাহা খাদ্য সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের চরম হুমকি।

তাৎক্ষণিকভাবে হোটেলের মালিক ও ম্যানেজারের কাছে জিজ্ঞাসা করা হলে এটি কেন্নো কিনা জানতে চাওয়া হলে তারা বলেন আমরা বুঝতে পারছি না।

একই সাথে এই ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলেওয়াহিদের নিকটে জানানো হলে তিনি বলেন অতিদ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

​খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম। কিন্তু সেই খাবারই যদি হয়ে ওঠে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কিংবা অস্বস্তির কারণ, তবে তা কেবল অপেশাদারত্ব নয়—জনস্বাস্থ্যের প্রতি চরম অবহেলাও বটে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে চাঞ্চল্য ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​ছবি ও ভিডিও সংবলিত প্রতিবেদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মন্তব্যে নানা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে সাধারণ ভুল বা অসাবধানতা বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও, প্রত্যক্ষদর্শীরা কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছেন। স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন সংগঠনের পেজ থেকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।

​একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে, যেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ অর্থ খরচ করে খাবার গ্রহণ করেন, সেখানে রান্নাবান্না ও পরিবেশনে সর্বনিম্ন স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। গৃহস্থালি রান্নার অসাবধানতা আর ব্যবসার উদ্দেশ্যে পরিবেশিত খাবারের চরম অপরিচ্ছন্নতাকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। খাদ্যে অখাদ্য বা পোকা-মাকড় থাকা কেবল গ্রাহকের বিরক্তির কারণ নয়, এটি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও খাদ্য বিষক্রিয়ার (Food Poisoning) পথ সুগম করে।

​খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা সময়ের দাবি। শার্শার বাগআঁচড়া বাজারের এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন:

​নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের উচিত দ্রুত উক্ত রেস্তোরাঁয় অভিযান পরিচালনা করা।

​নিয়মিত নজরদারি: শুধু ঘটনার পরই নয়, বরং স্থানীয় হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোর রান্নাঘরের পরিবেশ নিয়মিত পরিদর্শন ও তদারকি করা প্রয়োজন।

​সচেতনতা ও জবাবদিহিতা: ব্যবসায়ীদের মনে রাখা উচিত—খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা কোনো দয়া নয়, বরং আইনি বাধ্যবাধকতা।

​​জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এবং বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপ প্রত্যাশিত।