রাণীশংকৈলে কেন্দ্রীয় হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিদায়…….
- Update Time : ১০:১০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২০ Time View

একে আজাদ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি….
দীর্ঘ ৩৬ বছরের শিক্ষকতা জীবনের ইতি টেনে অবসরজনিত বিদায় নিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল কেন্দ্রীয় হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু শাহানশাহ ইকবাল।
দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই শিক্ষকের বিদায় উপলক্ষে আয়োজন করা হয় আবেগঘন সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় মাঠে কেন্দ্রীয় হাই স্কুলের উদ্যোগে এ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয় এ বিদায়ী অনুষ্ঠানে
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দিন আহমেদ।
উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি ও সাবেক চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলাম, বিএনপির সহসভাপতি শাহাদাত হোসেন, মাহমুদুল নবী পান্না, খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বকুল মজুমদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলী, পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা, শিক্ষা সমিতির সভাপতি ফেরদৌস আলম মানিক, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আহমেদ হোসেন বিপ্লব, হুমায়ুন কবির, এবং অভিভাবকও সাংবাদিকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রভাষক প্রশান্ত বসাক।
বক্তারা বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু শাহানশাহ ইকবালের দীর্ঘ কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষকতা জীবনে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর অবদান বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের কাছে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বক্তারা আরও বলেন, একজন শিক্ষকের অবসর শুধু কর্মজীবনের সমাপ্তি নয়, এটি তাঁর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের একটি আবেগঘন অধ্যায়। প্রিয় শিক্ষক ও সহকর্মীর বিদায়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
পরে বিদায়ী শিক্ষক আবু শাহানশাহ ইকবালকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা দেওয়া হয়। বক্তারা তাঁর অবসর-পরবর্তী জীবন সুখ, শান্তি ও সুস্বাস্থ্যে ভরে উঠুক—এ কামনা করেন। অনুষ্ঠানে বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়

























