পটুয়াখালী ইপিজেডের পাশে যুবকের মরদেহ, মৃত্যুর নিয়ে রহস্য
- Update Time : ০৮:১৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
- / ৫ Time View

মোঃ সজিব সরদার,স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালীর নির্মাণাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) প্রধান ফটকের সামনে থেকে আব্বাস সিকদার (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের ধারণা, মারধরের শিকার হয়ে তাঁর মৃত্যু হতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে নির্মাণাধীন ইপিজেডের প্রধান ফটকের সামনের মহাসড়কের পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় একটি মারামারির ঘটনার পর গত দুই দিন ধরে বাড়িতে ছিলেন না আব্বাস। শুক্রবার রাতে এক অটোরিকশাচালক তাঁর চাচা শাহজালালকে ফোন করে জানান, ইপিজেডের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
স্থানীয়দের ধারণা, আব্বাসকে মারধর করা হয়ে থাকতে পারে। তবে তিনি কীভাবে মারা গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মৃত্যুর পেছনে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিহত আব্বাস সিকদার পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের মো. রফিক সিকদারের ছেলে। তিনি আগে কলেজে পড়াশোনা করলেও বর্তমানে কোনো পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
আব্বাসের বাবা রফিক সিকদার দাবি করেন, তিনি এলাকায় ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ নিয়ে ফেসবুকে প্রচারণামূলক পোস্টার প্রকাশের পর স্থানীয় একটি পক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ বেড়েছিল বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি ছেলের মৃত্যুর ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আব্বাসের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।





















