ঝিনাইদহে যুবতীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার স্বজনদের দাবী হত্যা
- Update Time : ১০:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ১২ Time View

রাসেল হোসেন ঝিনাইদহ -ঝিনাইদহ শহরের কোরাপাড়ায় শিখা (২২) নামে এক যুবতীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে কোরাপাড়া গ্রামের জনৈক মুকুলের ঘর থেকে এক সন্তানের জননী শিখার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। প্রতিবেশিদের দাবী মুকুল তাকে হত্যার পর গলায় ওড়না পেচিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। শিখা সদর উপজেলার সাধুহাটী ইউনিয়নের শহিদুল ইসলামের ছেলে।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, কোরাপাড়া গ্রামের হাকিম মেম্বরের ছেলে গ্রীল মিস্ত্রি মুকুল একজন নারী লোভী। বিভিন্ন স্থান থেকে সে নিজ বাড়িতে নারী এনে ফুর্তি মারতো বলে অভিযোগ। গত রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে শিখাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে মুকুল। শিখাকে নিজ বাড়িতে আনার পর মুকুল বাসর ঘর সাজায়। দুইদন পর শিখার লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায়।
প্রতিবেশিদের ভাষ্য, শিখা মামা পরিচয় দিয়ে মুকুলের বাসায় ওঠে। কিন্ত মুকুলের সঙ্গে তার দুরতমও সম্পর্ক নেই। ঢাকা থেকে বাসে আসার সময় পরিচয়। এ সময় মুকুল শিখাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাড়িতে আনে। কিন্তু বাড়িতে আসার পর বিয়ে নিয়ে উচ্চবাচ্য হওয়ার পর এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রতিবেশিরা অভিযোগ করেন।
শিখার পিতা শহিদুল ইসলাম জানান পিতা জানান, মেয়ের সঙ্গে তার যোগাযোগ নেই। মাঝেমধ্যে মোবাইলে কথা হয়। প্রথমে বিয়ে দেওয়া হয়। প্রথম স্বামীর ঘর করেনি। সেখান থেকে প্রবাসি ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক করে। এ সব কারণে মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রাখিনি। শিখাকে হত্যা করা হতে পারে বলে পিতার আশংকা।
বিষয়টি নিয়ে শিখার মামা তরিকুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধারের পর মুকুল বলেছে শিখাকে সে চেনে না। অথচ তার ঘর থেকেই লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শরীরে থাকা জামা কাপড় ছেড়া ছিল। তাই ঘটনাটি রহস্যজনক। তাছাড়া লাশ উদ্ধারের সময় মুকুল পুলিশ দেখে পালিয়ে যায়। তাই শিখাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাদের সন্দেহ। তরিকুল জানান, ঢাকা থেকে আসার পর লম্পট মুকুল শিখাকে ফোন করে বাসায় ডেকে নেয়। দু’জনার মোবাইলে কললিষ্ট চেক করলে হত্যার মোটিভ জানা যাবে।
বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোকনুজ্জামান বলেন, ঘরের দরজা ভেঙ্গে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর ময়না তদন্ত করার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

























