ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজি হতে শতবর্ষ পরে গীত সুর অঞ্জলী

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • / ৯ Time View
Print

★ শ্রী সুপণ বিশ্বাস- (স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।)

আজি হতে শতবর্ষ পরে নামক কাব্য গ্রন্হ ও “গীত সুর অঞ্জলী “নামক গানের বই প্রকাশিত হয়েছে। গ্রন্হ দুটির লেখক হলেন কবি ও গবেষক কবি বিশ্বপ্রতাপ বড়ুয়া।
বইগুলোর প্রকাশকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সাল। প্রকাশ করেছে অক্ষর পাবলিকেশন্স এন্ড মিডিয়া এবং গ্রন্হ স্বত্বাধিকারী হলেন সুমিত্রা বড়ুয়া পাপিয়া। আজি হতে শতবর্ষ পরে বইটিতে ১২৫ টি কবিতা স্হান পেয়েছে। আজি হতে শতবর্ষ পরে, আজি শারদ রাতে প্রথম প্রাতে, মন ভাসে প্রাণ হাসে, কাহারে বাধ তুমি মনে,
আজি মন কাঁপে হরষে প্রভৃতি শিরোনামের কবিতাগুলো সহ সমগ্র বইয়ের কবিতাগুলিতে প্রেম, অনুভূতি, প্রকৃতি, মানবজীবন, বোধ, উদারতা ও মানবতার কথা, প্রকৃতি ও মনভাবনার কথা সুচারুরুপে লিপিবদ্ব হয়েছে। অন্যদিকে ” গীত সুর অঞ্জলী ” বইটিতে ও আকাশ ছোঁয়ায় তোমায়, ঐ স্বপ্নের বুনোহাঁস, মনের বনে ফুল, ফিরে না আঁখির পলক, পরাণর তালত বইন, হালদার কূলত বসত আঁয়ার প্রভৃতি গানগুলো দেশাত্ববোধ, প্রিয়তমা, মনের আশা, স্বপ্ন, চাওয়া- পাওয়া, অনুরাগ প্রভৃতি বিষয় গুঞ্জরিত হয়েছে।
লেখক কবিতার বইটি উৎসর্গ করেছেন তাহার দিদিমা স্বর্গীয়া ষোড়ষী বালা চৌধূরাণীর শ্রী চরণে। কাব্য গ্রন্থটির শুভেচ্ছা মূল্য রাখা হয়েছে ৩০০ টাকা। গীত সুর অঞ্জলী গ্রন্হটি লেখক তাহার পিতা স্বর্গীয় নিহার রঞ্জন বড়ুয়া ও মাতা স্বর্গীয়া দীপ্তিবালা বড়ুয়াকে উৎসর্গ করেছেন। গানের বইটির ও শুভেচ্ছা মূল্য রাখা হয়েছে ৩০০ টাকা।
উক্ত গ্রন্থ দুটির লেখক বিশ্বপ্রতাপ বড়ুয়া একজন কবি, গীতিকার ও সুরকার। পাশাপাশি বর্তমানে তিনি বিশ্ববন্ধন নামক একটি ম্যাগাজিন সম্পাদনার দায়িত্বপালন করছেন।
কবির প্রথম প্রকাশিত গীতিকাব্যের নাম ” শীরমণি হে মহান শীলালঙ্কার ” আর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থের নাম ” কে সেই মৃত্যুঞ্জয়ী “। কবি, গীতিকার ও গুণবান ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিশ্বপ্রতাপ বড়ুয়া বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন। এই সুলেখক ১৯৫৭ সালের ২০ নভেম্বর রাউজান উপজেলার গহিরা সত্তার ঘাট এলাকার বড়ুয়া পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বেতার, টেলিভিশন সহ ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বহুবিধ অনুষ্ঠানে অনেক কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশন করে দর্শক, শ্রোতা ও গুণমুগ্বদের প্রশংসায় সিক্ত হয়েছেন বারংবার। বর্তমানে তাহার গ্রামের বাড়ী হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বড়ুয়া পাড়ায়। কর্মব্যস্ততার কারণে তিনি অনেকবছর যাবৎ শহরে বসবাস করছেন। শহরে তিনি বোস্তামী থানার মোহাম্মদ নগরের ১ নং লেইন এলাকায় বসবাস করেন। তিনি বায়েজিদ বোস্তামী থানা কেন্দ্রীয় শান্তি কূজ বৌদ্ধ বিহারের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়ন কালীন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
নগর জীবনের মাঝে থেকে ও তিনি পরিবেশ, প্রকৃতি, গ্রাম, ফুল, মূল, মানবতা, মন, পাখি, নদী- সমুদ্র ও পাহাড়ের রুপ- বৈচিত্র্য নিয়ে তিনি অবিরত লিখে যাচ্ছেন।
পারিবারিক জীবনে তিনি স্ত্রী এবং চার মেয়ে, এক ছেলে নিয়ে তাহাদের পরিবার।

লেখকের বড় মেয়ে মৈত্রী বড়ুয়া কানাডা ভ্যাংকোভার স্বামী মুক্তা বড়ুয়া ও দুই মেয়ে,দুই ছেলে নিয়ে কানাডায় বসবাস করে। দ্বিতীয় মেয়ে মৌমিতা বড়ুয়া স্বামী রাজেশ বড়ুয়া ও দুই সন্তান নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে বসবাস করে। তৃতীয় মেয়ে সপ্তর্ষি বড়ুয়া আমেরিকার বোস্টন স্টেটে হেভেন ইউনিভার্সিটিতে পি,এইস,ডি করছে। ৪র্থ মেয়ে চট্টগ্রাম সরকারি মহসিন কলেজে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ তৃতীয় বর্ষে সন্মান এ অধ্যয়নরত স্বামী অমিত বড়ুয়া বার্জার পেইন্টস এ এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। একমাত্র ছেলে প্রিতম প্রতাপ বড়ুয়া চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পাওয়া টেক্স এ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। পারিবারিক জীবনে ও তিনি তাহার পরিবারকে কবিতা ও সংগীতের তালিম ও চর্চার সুষম পরিবেশ তৈরি করেছেন। কবি বিশ্বপ্রতাপ বড়ুয়ার নিজের কন্ঠের আবৃত্তি ও গান শুভাকাঙ্গী, পাঠক, কবি ও সাহিত্যিকদের মনে অনুপ্রেরণা ও চেতনা জাগায়। রাউজান প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডিএক্সার কবি নুর মোহাম্মদ গ্রন্থটির বহুল প্রচার কামনা করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

আজি হতে শতবর্ষ পরে গীত সুর অঞ্জলী

Update Time : ০৩:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Print

★ শ্রী সুপণ বিশ্বাস- (স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।)

আজি হতে শতবর্ষ পরে নামক কাব্য গ্রন্হ ও “গীত সুর অঞ্জলী “নামক গানের বই প্রকাশিত হয়েছে। গ্রন্হ দুটির লেখক হলেন কবি ও গবেষক কবি বিশ্বপ্রতাপ বড়ুয়া।
বইগুলোর প্রকাশকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সাল। প্রকাশ করেছে অক্ষর পাবলিকেশন্স এন্ড মিডিয়া এবং গ্রন্হ স্বত্বাধিকারী হলেন সুমিত্রা বড়ুয়া পাপিয়া। আজি হতে শতবর্ষ পরে বইটিতে ১২৫ টি কবিতা স্হান পেয়েছে। আজি হতে শতবর্ষ পরে, আজি শারদ রাতে প্রথম প্রাতে, মন ভাসে প্রাণ হাসে, কাহারে বাধ তুমি মনে,
আজি মন কাঁপে হরষে প্রভৃতি শিরোনামের কবিতাগুলো সহ সমগ্র বইয়ের কবিতাগুলিতে প্রেম, অনুভূতি, প্রকৃতি, মানবজীবন, বোধ, উদারতা ও মানবতার কথা, প্রকৃতি ও মনভাবনার কথা সুচারুরুপে লিপিবদ্ব হয়েছে। অন্যদিকে ” গীত সুর অঞ্জলী ” বইটিতে ও আকাশ ছোঁয়ায় তোমায়, ঐ স্বপ্নের বুনোহাঁস, মনের বনে ফুল, ফিরে না আঁখির পলক, পরাণর তালত বইন, হালদার কূলত বসত আঁয়ার প্রভৃতি গানগুলো দেশাত্ববোধ, প্রিয়তমা, মনের আশা, স্বপ্ন, চাওয়া- পাওয়া, অনুরাগ প্রভৃতি বিষয় গুঞ্জরিত হয়েছে।
লেখক কবিতার বইটি উৎসর্গ করেছেন তাহার দিদিমা স্বর্গীয়া ষোড়ষী বালা চৌধূরাণীর শ্রী চরণে। কাব্য গ্রন্থটির শুভেচ্ছা মূল্য রাখা হয়েছে ৩০০ টাকা। গীত সুর অঞ্জলী গ্রন্হটি লেখক তাহার পিতা স্বর্গীয় নিহার রঞ্জন বড়ুয়া ও মাতা স্বর্গীয়া দীপ্তিবালা বড়ুয়াকে উৎসর্গ করেছেন। গানের বইটির ও শুভেচ্ছা মূল্য রাখা হয়েছে ৩০০ টাকা।
উক্ত গ্রন্থ দুটির লেখক বিশ্বপ্রতাপ বড়ুয়া একজন কবি, গীতিকার ও সুরকার। পাশাপাশি বর্তমানে তিনি বিশ্ববন্ধন নামক একটি ম্যাগাজিন সম্পাদনার দায়িত্বপালন করছেন।
কবির প্রথম প্রকাশিত গীতিকাব্যের নাম ” শীরমণি হে মহান শীলালঙ্কার ” আর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থের নাম ” কে সেই মৃত্যুঞ্জয়ী “। কবি, গীতিকার ও গুণবান ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিশ্বপ্রতাপ বড়ুয়া বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন। এই সুলেখক ১৯৫৭ সালের ২০ নভেম্বর রাউজান উপজেলার গহিরা সত্তার ঘাট এলাকার বড়ুয়া পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বেতার, টেলিভিশন সহ ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বহুবিধ অনুষ্ঠানে অনেক কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশন করে দর্শক, শ্রোতা ও গুণমুগ্বদের প্রশংসায় সিক্ত হয়েছেন বারংবার। বর্তমানে তাহার গ্রামের বাড়ী হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বড়ুয়া পাড়ায়। কর্মব্যস্ততার কারণে তিনি অনেকবছর যাবৎ শহরে বসবাস করছেন। শহরে তিনি বোস্তামী থানার মোহাম্মদ নগরের ১ নং লেইন এলাকায় বসবাস করেন। তিনি বায়েজিদ বোস্তামী থানা কেন্দ্রীয় শান্তি কূজ বৌদ্ধ বিহারের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়ন কালীন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
নগর জীবনের মাঝে থেকে ও তিনি পরিবেশ, প্রকৃতি, গ্রাম, ফুল, মূল, মানবতা, মন, পাখি, নদী- সমুদ্র ও পাহাড়ের রুপ- বৈচিত্র্য নিয়ে তিনি অবিরত লিখে যাচ্ছেন।
পারিবারিক জীবনে তিনি স্ত্রী এবং চার মেয়ে, এক ছেলে নিয়ে তাহাদের পরিবার।

লেখকের বড় মেয়ে মৈত্রী বড়ুয়া কানাডা ভ্যাংকোভার স্বামী মুক্তা বড়ুয়া ও দুই মেয়ে,দুই ছেলে নিয়ে কানাডায় বসবাস করে। দ্বিতীয় মেয়ে মৌমিতা বড়ুয়া স্বামী রাজেশ বড়ুয়া ও দুই সন্তান নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে বসবাস করে। তৃতীয় মেয়ে সপ্তর্ষি বড়ুয়া আমেরিকার বোস্টন স্টেটে হেভেন ইউনিভার্সিটিতে পি,এইস,ডি করছে। ৪র্থ মেয়ে চট্টগ্রাম সরকারি মহসিন কলেজে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ তৃতীয় বর্ষে সন্মান এ অধ্যয়নরত স্বামী অমিত বড়ুয়া বার্জার পেইন্টস এ এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। একমাত্র ছেলে প্রিতম প্রতাপ বড়ুয়া চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পাওয়া টেক্স এ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। পারিবারিক জীবনে ও তিনি তাহার পরিবারকে কবিতা ও সংগীতের তালিম ও চর্চার সুষম পরিবেশ তৈরি করেছেন। কবি বিশ্বপ্রতাপ বড়ুয়ার নিজের কন্ঠের আবৃত্তি ও গান শুভাকাঙ্গী, পাঠক, কবি ও সাহিত্যিকদের মনে অনুপ্রেরণা ও চেতনা জাগায়। রাউজান প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডিএক্সার কবি নুর মোহাম্মদ গ্রন্থটির বহুল প্রচার কামনা করেন।