👥 প্রতিনিধি তালিকা 📰 ই-পেপার
ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুয়া সাংবাদিকদের দাপটে প্রশ্নের মুখে মূলধারা: নীতিমালার তাগিদ ও নিজেদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৩৯ Time View
Print

​
আবু তালেব বিশেষ প্রতিনিধি

দেশজুড়ে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য ও অপসাংবাদিকতার কারণে দিন দিন প্রশ্নের মুখে পড়ছে মূলধারার প্রকৃত সাংবাদিকতা। এমন পরিস্থিতিতে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি রক্ষায় অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও ‘সাংবাদিক সুরক্ষা আইন’ বাস্তবায়নের দাবি উঠেছে।
একই সাথে, পেশার মান মর্যাদা বজায় রাখতে নিজেদের ভেতরের বিভাজন ভুলে সকল প্রকৃত সাংবাদিককে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
​
সম্প্রতি একাত্তর টেলিভিশনে “ভুয়া সাংবাদিকদের দাপটে প্রশ্নের মুখে সাংবাদিকতা” শিরোনামে প্রচারিত একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদনটির মূল বক্তব্য ও সময়োপযোগী উদ্যোগ প্রশংসিত হলেও, এতে ব্যবহৃত কিছু তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ নিয়ে সহকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
​বিশেষ করে, প্রতিবেদনে বাংলানিউজের সাবেক মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার তোফায়েল আহমেদকে ‘কথিত সাংবাদিক’ হিসেবে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন অনেক সাংবাদিক। ভিকারুননিসা নূনের ঘটনা সংক্রান্ত তাঁর সাম্প্রতিক কোনো কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা থাকতে পারে, তবে একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে তাঁর বিগত দিনের কর্মদক্ষতা ও সহকর্মীদের সহযোগিতার বিষয়টি গণমাধ্যম অঙ্গনে পরিচিত।

​এছাড়া, একাত্তর টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসনের একটি ঘটনার জেনেশুনে বা অজান্তে ব্যবহৃত ভিডিও ক্লিপ নিয়েও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
​বর্তমান সময়ের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ব্রডকাস্ট এবং মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে। ফলে সাংবাদিকদের নিজেদের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি বা বিভাজন তৈরি হলে অপসাংবাদিকতা আরও প্রশ্রয় পাবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
​গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞদের মতে, পেশাদার সাংবাদিকদের আত্মসমালোচনা যেমন প্রয়োজন, তেমনি যারা প্রকৃত অর্থে সাংবাদিকতার মান ও মর্যাদা বিনষ্ট করছে—তাদের বিরুদ্ধে একাট্টা হওয়া জরুরি। প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত স্তরে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে না তুললে ভুয়া সাংবাদিকদের এই আগ্রাসন থেকে মূলধারার সাংবাদিকতাকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ভুয়া সাংবাদিকদের দাপটে প্রশ্নের মুখে মূলধারা: নীতিমালার তাগিদ ও নিজেদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

Update Time : ১০:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Print

​
আবু তালেব বিশেষ প্রতিনিধি

দেশজুড়ে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য ও অপসাংবাদিকতার কারণে দিন দিন প্রশ্নের মুখে পড়ছে মূলধারার প্রকৃত সাংবাদিকতা। এমন পরিস্থিতিতে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি রক্ষায় অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও ‘সাংবাদিক সুরক্ষা আইন’ বাস্তবায়নের দাবি উঠেছে।
একই সাথে, পেশার মান মর্যাদা বজায় রাখতে নিজেদের ভেতরের বিভাজন ভুলে সকল প্রকৃত সাংবাদিককে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
​
সম্প্রতি একাত্তর টেলিভিশনে “ভুয়া সাংবাদিকদের দাপটে প্রশ্নের মুখে সাংবাদিকতা” শিরোনামে প্রচারিত একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদনটির মূল বক্তব্য ও সময়োপযোগী উদ্যোগ প্রশংসিত হলেও, এতে ব্যবহৃত কিছু তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ নিয়ে সহকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
​বিশেষ করে, প্রতিবেদনে বাংলানিউজের সাবেক মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার তোফায়েল আহমেদকে ‘কথিত সাংবাদিক’ হিসেবে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন অনেক সাংবাদিক। ভিকারুননিসা নূনের ঘটনা সংক্রান্ত তাঁর সাম্প্রতিক কোনো কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা থাকতে পারে, তবে একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে তাঁর বিগত দিনের কর্মদক্ষতা ও সহকর্মীদের সহযোগিতার বিষয়টি গণমাধ্যম অঙ্গনে পরিচিত।

​এছাড়া, একাত্তর টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসনের একটি ঘটনার জেনেশুনে বা অজান্তে ব্যবহৃত ভিডিও ক্লিপ নিয়েও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
​বর্তমান সময়ের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ব্রডকাস্ট এবং মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে। ফলে সাংবাদিকদের নিজেদের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি বা বিভাজন তৈরি হলে অপসাংবাদিকতা আরও প্রশ্রয় পাবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
​গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞদের মতে, পেশাদার সাংবাদিকদের আত্মসমালোচনা যেমন প্রয়োজন, তেমনি যারা প্রকৃত অর্থে সাংবাদিকতার মান ও মর্যাদা বিনষ্ট করছে—তাদের বিরুদ্ধে একাট্টা হওয়া জরুরি। প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত স্তরে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে না তুললে ভুয়া সাংবাদিকদের এই আগ্রাসন থেকে মূলধারার সাংবাদিকতাকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।