ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্যামনগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৪ Time View
Print

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণভোটের রায়, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্যামনগর উপজেলা শাখা।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৪টায় শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি শ্যামনগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্যামনগর মাইক্রো স্ট্যান্ডে গিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়। আয়োজকদের দাবি, মিছিল ও সমাবেশে পাঁচ সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন।সমাবেশে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম মোস্তফা। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াত নেতা অধ্যাপক আব্দুল জলিল ও মাওলানা আব্দুল মজিদ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা গোলাম বারী, মাওলানা মঈনুদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক ফজলুল হক, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার রেজাউল ইসলাম, অধ্যক্ষ সাইদি হাসান বুলবুল, মাওলানা আমিনুর রহমান, অধ্যাপক গাজী আব্দুল হামিদ এবং অধ্যাপক মহসিন আলম সহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, “আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে আমরা ও বিএনপিসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিলাম। তবে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের রক্তদান ও জীবন উৎসর্গের মধ্য দিয়েই ৫ আগস্টের বিপ্লব চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করে। এ বিপ্লব কোনো একক দলের নয়; এটি ছাত্র-জনতা ও দেশের মানুষের সম্মিলিত আন্দোলনের ফল।”তিনি বলেন, “৫ আগস্টের পরিবর্তন না এলে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা সৃষ্টি হতো না। আমরা দেশের তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চাই এবং দেশকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যমুক্ত দেখতে চাই।বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, “যারা উগ্রবাদ ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চায়, তারা আমাদের ধৈর্যকে দুর্বলতা মনে করবেন না। তবে আমরা সংঘাত চাই না; শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সহাবস্থান ও পারস্পরিক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতে চাই।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

শ্যামনগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ

Update Time : ১১:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
Print

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণভোটের রায়, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্যামনগর উপজেলা শাখা।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৪টায় শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি শ্যামনগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্যামনগর মাইক্রো স্ট্যান্ডে গিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়। আয়োজকদের দাবি, মিছিল ও সমাবেশে পাঁচ সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন।সমাবেশে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম মোস্তফা। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াত নেতা অধ্যাপক আব্দুল জলিল ও মাওলানা আব্দুল মজিদ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা গোলাম বারী, মাওলানা মঈনুদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক ফজলুল হক, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার রেজাউল ইসলাম, অধ্যক্ষ সাইদি হাসান বুলবুল, মাওলানা আমিনুর রহমান, অধ্যাপক গাজী আব্দুল হামিদ এবং অধ্যাপক মহসিন আলম সহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, “আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে আমরা ও বিএনপিসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিলাম। তবে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের রক্তদান ও জীবন উৎসর্গের মধ্য দিয়েই ৫ আগস্টের বিপ্লব চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করে। এ বিপ্লব কোনো একক দলের নয়; এটি ছাত্র-জনতা ও দেশের মানুষের সম্মিলিত আন্দোলনের ফল।”তিনি বলেন, “৫ আগস্টের পরিবর্তন না এলে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা সৃষ্টি হতো না। আমরা দেশের তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চাই এবং দেশকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যমুক্ত দেখতে চাই।বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, “যারা উগ্রবাদ ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চায়, তারা আমাদের ধৈর্যকে দুর্বলতা মনে করবেন না। তবে আমরা সংঘাত চাই না; শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সহাবস্থান ও পারস্পরিক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতে চাই।