👥 প্রতিনিধি তালিকা 📰 ই-পেপার
ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরের ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জেসমিন নাহার বর্ষাকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে আলোচনা

নিজেস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৪:২৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২০৯ Time View
Print

নিজস্ব প্রতিনিধি:যশোর: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর সদর উপজেলার ৩ নম্বর ইছালী ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে বিএনপি থেকে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে, জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী মিজানুর রহমানও আগে থেকেই নির্বাচনী তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন। এ ছাড়া ইছালী ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র-এর ক্রাইম প্রতিনিধি সরেজমিনে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন জেসমিন নাহার বর্ষা। অন্যদিকে, আলোচনায় থাকা অধিকাংশ প্রার্থীই পুরুষ।

নারী ভোটারদের কাছে আলোচনায় জেসমিন নাহার বর্ষা
স্থানীয় কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ইছালী ইউনিয়নে স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণেও পরিবর্তন এসেছে। সম্ভাব্য কয়েকজন প্রার্থীকে ঘিরে ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রভাব বিস্তার, দখলদারত্ব ও বিচার-সালিশসংক্রান্ত নানা আলোচনা থাকায় তাঁদের জনসমর্থন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে দাবি করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, জেসমিন নাহার বর্ষাকে ঘিরে স্থানীয় নারী ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন ভোটার। তিনি থানা বিএনপির নির্বাহী সদস্য এবং ইছালী ইউনিয়ন মহিলা দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাঁদের মতে, একজন নারী প্রার্থী হিসেবে তাঁর অংশগ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তাঁকে আলোচনায় এগিয়ে রাখছে।
কয়েকজন নারী ভোটার জানান, জেসমিন নাহার বর্ষা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় কেউ বিপদে পড়লে তিনি পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন এবং সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এ কারণে এলাকায় একজন মানবিক ও জনসম্পৃক্ত নেত্রী হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন।

পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যও আলোচনায়
জেসমিন নাহার বর্ষার বাবা মতলেব বিশ্বাস ইছালী ইউনিয়নের চারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর বাবার পরিচিতি বর্ষার সম্ভাব্য প্রার্থিতাকে ঘিরে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটারের ধারণা, তাঁর বাবার দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা ও পারিবারিক পরিচিতি নির্বাচনে বর্ষার জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন এবং দলীয় মনোনয়নই তাঁর নির্বাচনী অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

এদিকে, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেসমিন নাহার বর্ষাকে তাঁরা একজন সক্রিয় ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বিবেচনা করেন। তাঁদের কেউ কেউ মনে করেন, স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে তাঁকে ঘিরে বিতর্ক নেই দাবী নাম প্রকাশে অনেক বিএনপি নেতা।

দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রত্যয়
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জেসমিন নাহার বর্ষার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নেব এবং বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার আশা রাখি। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে আমি কিছু করতে চাই না। আমার কাছে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার চেয়েও দলের সিদ্ধান্ত অনেক বড়।”
নিজের রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “ছোটবেলা থেকেই আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিএনপিই আমার মূল রাজনৈতিক পরিচয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমি, আমার বাবা ও পরিবারের সদস্যরা নানা ধরনের হয়রানি ও প্রতিকূলতার শিকার হয়েছি বলে আমার অভিযোগ। শুধু বিএনপি করার কারণে আমাদের বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তারপরও ভয়ভীতি আমাকে দমাতে পারেনি। ইউনিয়ন থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নানা বাধা উপেক্ষা করে অংশ নিয়েছি।”
নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি আশা করছি, দল আমাকে মনোনয়ন দেবে। মনোনয়ন পাওয়ার আগ পর্যন্ত আমি আমার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাব এবং দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকব।”
শেষ পর্যন্ত নির্ধারক হবে ভোটারদের মতামত
সব মিলিয়ে, যশোর সদর উপজেলার ৩ নম্বর ইছালী ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে। স্থানীয় ভোটারদের একাংশের আলোচনায় জেসমিন নাহার বর্ষার নাম উঠে এলেও নির্বাচনে তাঁর প্রকৃত অবস্থান নির্ভর করবে দলীয় মনোনয়ন, প্রার্থীদের নির্বাচনী কার্যক্রম এবং ভোটারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।

তবে নির্বাচনী প্রচারণার এই পর্যায়ে কাউকে নিশ্চিতভাবে এগিয়ে থাকা বা সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে বিবেচনা করার জন্য নির্ভরযোগ্য জনমত জরিপ কিংবা যাচাইযোগ্য তথ্য প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত ইছালী ইউনিয়নের ভোটাররা কাকে তাঁদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেবেন, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও ভোটের ফলাফলের জন্য।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

যশোরের ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জেসমিন নাহার বর্ষাকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে আলোচনা

Update Time : ০৪:২৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
Print

নিজস্ব প্রতিনিধি:যশোর: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর সদর উপজেলার ৩ নম্বর ইছালী ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে বিএনপি থেকে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে, জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী মিজানুর রহমানও আগে থেকেই নির্বাচনী তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন। এ ছাড়া ইছালী ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র-এর ক্রাইম প্রতিনিধি সরেজমিনে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন জেসমিন নাহার বর্ষা। অন্যদিকে, আলোচনায় থাকা অধিকাংশ প্রার্থীই পুরুষ।

নারী ভোটারদের কাছে আলোচনায় জেসমিন নাহার বর্ষা
স্থানীয় কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ইছালী ইউনিয়নে স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণেও পরিবর্তন এসেছে। সম্ভাব্য কয়েকজন প্রার্থীকে ঘিরে ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রভাব বিস্তার, দখলদারত্ব ও বিচার-সালিশসংক্রান্ত নানা আলোচনা থাকায় তাঁদের জনসমর্থন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে দাবি করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, জেসমিন নাহার বর্ষাকে ঘিরে স্থানীয় নারী ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন ভোটার। তিনি থানা বিএনপির নির্বাহী সদস্য এবং ইছালী ইউনিয়ন মহিলা দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাঁদের মতে, একজন নারী প্রার্থী হিসেবে তাঁর অংশগ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তাঁকে আলোচনায় এগিয়ে রাখছে।
কয়েকজন নারী ভোটার জানান, জেসমিন নাহার বর্ষা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় কেউ বিপদে পড়লে তিনি পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন এবং সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এ কারণে এলাকায় একজন মানবিক ও জনসম্পৃক্ত নেত্রী হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন।

পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যও আলোচনায়
জেসমিন নাহার বর্ষার বাবা মতলেব বিশ্বাস ইছালী ইউনিয়নের চারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর বাবার পরিচিতি বর্ষার সম্ভাব্য প্রার্থিতাকে ঘিরে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটারের ধারণা, তাঁর বাবার দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা ও পারিবারিক পরিচিতি নির্বাচনে বর্ষার জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন এবং দলীয় মনোনয়নই তাঁর নির্বাচনী অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

এদিকে, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেসমিন নাহার বর্ষাকে তাঁরা একজন সক্রিয় ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বিবেচনা করেন। তাঁদের কেউ কেউ মনে করেন, স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে তাঁকে ঘিরে বিতর্ক নেই দাবী নাম প্রকাশে অনেক বিএনপি নেতা।

দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রত্যয়
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জেসমিন নাহার বর্ষার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নেব এবং বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার আশা রাখি। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে আমি কিছু করতে চাই না। আমার কাছে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার চেয়েও দলের সিদ্ধান্ত অনেক বড়।”
নিজের রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “ছোটবেলা থেকেই আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিএনপিই আমার মূল রাজনৈতিক পরিচয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমি, আমার বাবা ও পরিবারের সদস্যরা নানা ধরনের হয়রানি ও প্রতিকূলতার শিকার হয়েছি বলে আমার অভিযোগ। শুধু বিএনপি করার কারণে আমাদের বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তারপরও ভয়ভীতি আমাকে দমাতে পারেনি। ইউনিয়ন থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নানা বাধা উপেক্ষা করে অংশ নিয়েছি।”
নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি আশা করছি, দল আমাকে মনোনয়ন দেবে। মনোনয়ন পাওয়ার আগ পর্যন্ত আমি আমার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাব এবং দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকব।”
শেষ পর্যন্ত নির্ধারক হবে ভোটারদের মতামত
সব মিলিয়ে, যশোর সদর উপজেলার ৩ নম্বর ইছালী ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে। স্থানীয় ভোটারদের একাংশের আলোচনায় জেসমিন নাহার বর্ষার নাম উঠে এলেও নির্বাচনে তাঁর প্রকৃত অবস্থান নির্ভর করবে দলীয় মনোনয়ন, প্রার্থীদের নির্বাচনী কার্যক্রম এবং ভোটারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।

তবে নির্বাচনী প্রচারণার এই পর্যায়ে কাউকে নিশ্চিতভাবে এগিয়ে থাকা বা সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে বিবেচনা করার জন্য নির্ভরযোগ্য জনমত জরিপ কিংবা যাচাইযোগ্য তথ্য প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত ইছালী ইউনিয়নের ভোটাররা কাকে তাঁদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেবেন, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও ভোটের ফলাফলের জন্য।