দক্ষিণ রাউজানে অষ্টম বছরে শাপলা সংঘের দুর্গোৎসব, ডিজিটাল থিমে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা
- Update Time : ০২:৩৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
- / ২৪ Time View

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম):চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার দক্ষিণ রাউজানের পাহাড়তলী দাশপাড়ায় শাপলা সংঘের উদ্যোগে অষ্টম বছরে পদার্পণ করেছে শারদীয় দুর্গোৎসব-২০২৬। এ উপলক্ষে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপিত হয়েছে মহাষ্টমী পূজা। পূজামণ্ডপে ভক্তদের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।
এবারের দুর্গোৎসবে দাশপাড়া শাপলা সংঘের বিশেষ আকর্ষণ ছিল দেবী দুর্গার প্রতিমার পেছনে স্থাপন করা দৃষ্টিনন্দন ডিজিটাল মাল্টিকালার থিম প্রদর্শনী। আলোকসজ্জা ও নান্দনিক ডিজিটাল উপস্থাপনায় সাজানো এ আয়োজন দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। প্রতিমার সৌন্দর্য ও থিমের আকর্ষণীয় উপস্থাপনা পূজামণ্ডপে যোগ করে ভিন্নমাত্রা।
মহাষ্টমীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন রাউজান উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি অরুণ পালিত (বাসু), সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ গুপ্ত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনি দে, অর্থ সম্পাদক রূপন বিশ্বাস। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাউজান প্রেস ক্লাবের শিক্ষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সুপণ বিশ্বাস; বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) রাউজান উপজেলা সংসদের সভাপতি বিটু কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক পাভেল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক অর্পণ মহাজন রিপু, সমাজকল্যাণ সম্পাদক প্রিন্স চৌধুরী শুভ ও দপ্তর সম্পাদক রূপস দাশ,অমর কৃষ্ণ দাশ গুপ্ত।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সনাতনী বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি শ্রীমান দাশ শুভ, রাউজান উপজেলা সনাতনী বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি রাখাশ সরকারসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
দাশপাড়া শাপলা সংঘের সভাপতি রাজু দাশ রুদ্র, সাধারণ সম্পাদক আশীষ দাশ ও অর্থ সম্পাদক রানা দাশসহ পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা দুর্গোৎসবের সার্বিক আয়োজন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করেন।
শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তিথি মহাষ্টমী। এদিন দেবী দুর্গার পূজা, পুষ্পাঞ্জলি ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে ভক্তরা জগজ্জননী মায়ের আশীর্বাদ কামনা করেন। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাসে দেবী দুর্গা শক্তি, সাহস ও অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক। মহাষ্টমী শুভশক্তির বিজয়, ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং মানবকল্যাণের বার্তা বহন করে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দুর্গোৎসব মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।




















