ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে নির্মাণাধীন কারখানা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১১ Time View
Print

লুৎফর সিকদার.গোপালগন্জ্ঞ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুরে একটি নির্মাণাধীন কারখানার ভেতর থেকে ইমাম (২৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে উলপুর বাজার পেরিয়ে কংশুর এলাকার ওই কারখানা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
নিহত ইমাম গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন। তাঁর বাবার নাম জানা যায়নি। তাঁর মা আছিয়া বেগম সৌদি আরবে থাকেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কংশুর এলাকায় একটি নির্মাণাধীন কারখানার ভেতরে ইমামকে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁরা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ইমামের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

গোপালগঞ্জে নির্মাণাধীন কারখানা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ০৩:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

লুৎফর সিকদার.গোপালগন্জ্ঞ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুরে একটি নির্মাণাধীন কারখানার ভেতর থেকে ইমাম (২৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে উলপুর বাজার পেরিয়ে কংশুর এলাকার ওই কারখানা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
নিহত ইমাম গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন। তাঁর বাবার নাম জানা যায়নি। তাঁর মা আছিয়া বেগম সৌদি আরবে থাকেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কংশুর এলাকায় একটি নির্মাণাধীন কারখানার ভেতরে ইমামকে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁরা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ইমামের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।