ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খোলাডাঙ্গায় চারজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রধান আসামি আটক

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৮ Time View
Print

যশোর জেলা প্রতিনিধি : যশোর সদর উপজেলার আরপুর ইউনিয়নের খোলাডাঙ্গা গাজীপাড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের চারজনকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় প্রধান আসামি ইমাম গাজীকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করেন কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই দীনেশ। এ ঘটনায় মামলার অপর দুই আসামি শহিদুল ইসলাম ও রেখা খাতুন পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, খোলাডাঙ্গা গাজীপাড়া গ্রামের রুবি খাতুনের পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্তদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে গত ৮ অক্টোবর দুপুরে ইমাম গাজী, শহিদুল ইসলাম ও রেখা খাতুনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার-পাঁচজন রুবি খাতুনের ছেলে মানিক গাজীর ওপর হামলা চালান। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে এগিয়ে এলে রুবি খাতুন, তার ছেলে শাকিল গাজী ও মেয়ে রুনা খাতুনকেও মারধর করা হয়।

পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার দিন রাতেই রুবি খাতুন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী রুবি খাতুন বলেন, হামলার ঘটনায় প্রধান আসামিকে আটক করা হলেও অন্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছেন। তাদের দ্রুত আটক করা না হলে যেকোনো সময় তারা আবারও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালাতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

খোলাডাঙ্গায় চারজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রধান আসামি আটক

Update Time : ০৩:৪৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
Print

যশোর জেলা প্রতিনিধি : যশোর সদর উপজেলার আরপুর ইউনিয়নের খোলাডাঙ্গা গাজীপাড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের চারজনকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় প্রধান আসামি ইমাম গাজীকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করেন কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই দীনেশ। এ ঘটনায় মামলার অপর দুই আসামি শহিদুল ইসলাম ও রেখা খাতুন পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, খোলাডাঙ্গা গাজীপাড়া গ্রামের রুবি খাতুনের পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্তদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে গত ৮ অক্টোবর দুপুরে ইমাম গাজী, শহিদুল ইসলাম ও রেখা খাতুনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার-পাঁচজন রুবি খাতুনের ছেলে মানিক গাজীর ওপর হামলা চালান। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে এগিয়ে এলে রুবি খাতুন, তার ছেলে শাকিল গাজী ও মেয়ে রুনা খাতুনকেও মারধর করা হয়।

পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার দিন রাতেই রুবি খাতুন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী রুবি খাতুন বলেন, হামলার ঘটনায় প্রধান আসামিকে আটক করা হলেও অন্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছেন। তাদের দ্রুত আটক করা না হলে যেকোনো সময় তারা আবারও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালাতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।