ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাইনবোর্ডের বেহাল দশা, শিক্ষার্থীর দেখা নেই—মধুপুর নয়াহাট নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় ঘিরে প্রশ্ন

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৯ Time View

Screenshot

Print

রংপুর প্রতিনিধি:নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার মধুপুর নয়াহাট নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যালয়টিতে মোট ১৬ জন শিক্ষক রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে ৮ জন এমপিওভুক্ত বলে জানানো হয়েছে।

বিদ্যালয়টির বর্তমান পরিস্থিতি দেখতে সরেজমিনে গিয়ে দুপুর ৩টা ১৩ মিনিটে কোনো শিক্ষার্থীকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি। এ সময় কোনো শিক্ষকের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে ওই সময়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির কারণ এবং বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমের প্রকৃত অবস্থা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, বিদ্যালয়ের পরিচিতিমূলক সাইনবোর্ডটি ছেঁড়া ও জরাজীর্ণ অবস্থায় দেখা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার পরিবেশ এবং নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বিষয়টি তাঁকে অবহিত করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। প্রয়োজনে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের বাস্তব অবস্থা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

সাইনবোর্ডের বেহাল দশা, শিক্ষার্থীর দেখা নেই—মধুপুর নয়াহাট নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় ঘিরে প্রশ্ন

Update Time : ০৬:০৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
Print

রংপুর প্রতিনিধি:নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার মধুপুর নয়াহাট নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যালয়টিতে মোট ১৬ জন শিক্ষক রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে ৮ জন এমপিওভুক্ত বলে জানানো হয়েছে।

বিদ্যালয়টির বর্তমান পরিস্থিতি দেখতে সরেজমিনে গিয়ে দুপুর ৩টা ১৩ মিনিটে কোনো শিক্ষার্থীকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি। এ সময় কোনো শিক্ষকের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে ওই সময়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির কারণ এবং বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমের প্রকৃত অবস্থা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, বিদ্যালয়ের পরিচিতিমূলক সাইনবোর্ডটি ছেঁড়া ও জরাজীর্ণ অবস্থায় দেখা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার পরিবেশ এবং নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বিষয়টি তাঁকে অবহিত করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। প্রয়োজনে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের বাস্তব অবস্থা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।