শ্যামনগর নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন ১৭ বিজিবি কর্তৃক প্রায় ৩২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস
- Update Time : ১২:৫২:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
- / ১২ Time View

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা প্রায় ৩২ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা ১১টায় নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান।বিজিবি জানায়, ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের বর্তমান বাজারমূল্য ৩১ কোটি ৯৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৫০ টাকা।সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১১ জুলাই পর্যন্ত সাতক্ষীরার শ্যামনগর, দেবহাটা ও কালীগঞ্জ সীমান্তে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৫১ কোটি ৮৫ লাখ ৭৯ হাজার ৭৯৭ টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়। এসব অভিযানে ৪১ জনকে আটক করা হয়েছে। জব্দ হওয়া পণ্যের মধ্যে প্রায় ৩২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ছিল।ধ্বংস করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ১৫ হাজার ৭৮ বোতল ফেনসিডিল, ১৮ হাজার ৬৫৪ পিস ইয়াবা, ১ কেজি হেরোইন, ২ কেজি ৪০০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ১৪ বোতল এলএসডি, বিভিন্ন ধরনের মদ, ২১ লাখ ৭৬ হাজার ২৫৭ পিস অবৈধ ওষুধ, ৭৫ হাজার ৭৬৬ প্যাকেট ভারতীয় পাতার বিড়ি, ৩ দশমিক ৮১ কেজি গাঁজা এবং বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় ট্যাবলেট ও বড়ি।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, “মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান ঠেকাতে আমাদের সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। তবে মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সচেতন অংশগ্রহণও প্রয়োজন। নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবু সহল আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খুলনা সেক্টর কমান্ডার, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, র্যাব-৬, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কাস্টমস, বন বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস এবং কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
























