রামগড়ে ৪০ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ, গ্রেপ্তার ১
- Update Time : ১০:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
- / ১২ Time View

জসীমউদ্দিন,মানিকছড়ি:খাগড়াছড়ির রামগড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজাসহ একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদক পরিবহনের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা।
রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টা ৫৫ মিনিটে রামগড় থানাধীন ২ নম্বর পাতাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নাকাপা বাজার ব্রিজ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুইমারা থানাধীন হাফছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই অমিত কুমার মন্ডলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল জালিয়াপাড়া মিশনারি হাসপাতালের সামনে অবস্থান করছিল। এ সময় একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে বিপুল পরিমাণ গাঁজা পরিবহনের খবর পেয়ে জালিয়াপাড়া চৌরাস্তার মোড়ে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়।
তবে পুলিশের সংকেত অমান্য করে দ্রুতগতিতে গাড়িটি রামগড়ের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেলযোগে গাড়িটির পিছু নেন। একপর্যায়ে রামগড় থানা পুলিশের সহযোগিতায় নাকাপা বাজার ব্রিজের ওপর গাড়িটির গতিরোধ করা সম্ভব হয়। এ সময় গাড়ি থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করলে একজনকে আটক করে পুলিশ।
পরবর্তীতে প্রাইভেটকারটি তল্লাশি করে গাড়ির পেছনের ডালা ও সিটের ভেতর থেকে দুটি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ৮০টি গাঁজার রোল উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি রোলের ওজন ৫০০ গ্রাম হিসেবে মোট ৪০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো-খ-১১-৭২০৯ নম্বরের সাদা রঙের প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার ব্যক্তির কাছ থেকে এ মাদক পরিবহনের সঙ্গে আরও দুজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, তাদের একজনের নির্দেশে গাঁজার চালানটি বহন করে অন্য একজনের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় ১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে রামগড় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১৯(গ)/৪১/৩৮ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মাদকদ্রব্যের অবৈধ পরিবহন ও বেচাকেনা প্রতিরোধে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
























