বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস)-এর নেতা পিন্টু মিত্রকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা: অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি
- Update Time : ০৩:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ৯ Time View

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ:বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস)-এর ঢাকা দক্ষিণ বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটি এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জনাব পিন্টু মিত্রকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পুস্তক প্রকাশ ও বিক্রেতা সমাজ। একই সাথে তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অবাস্তব মামলা প্রত্যাহার করে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানিয়েছেন বাপুস-এর ঢাকা দক্ষিণ বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটির সাবেক সভাপতি ও গোপালগঞ্জের বিশিষ্ট পুস্তক ব্যবসায়ী নেতা বিকাশ চন্দ্র গোলদার।
আজ এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তার বরাতে গোপালগঞ্জের প্রবীণ পুস্তক ব্যবসায়ী নেতা বিকাশ চন্দ্র গোলদার বলেন, “একসময় পুস্তক ব্যবসা ও প্রকাশনা শিল্পের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের সমাজে অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখা হতো। জ্ঞানচর্চা ও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মতো এই মহান পেশা আজ কিছু কুরুচিপূর্ণ ও সুবিধাবাদী মানুষের অপতৎপরতায় কলঙ্কিত হতে চলেছে। পিন্টু মিত্রের মতো একজন দায়িত্বশীল ও সম্মানিত ব্যবসায়ী সংগঠনকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কাল্পনিক মামলায় গ্রেপ্তার করিয়ে চরম হয়রানি করা হচ্ছে।”
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে পুলিশ পিন্টু মিত্রকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি মামলায় আসামি সাজিয়ে গ্রেপ্তার করে। এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের বাপুস নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কোনো প্রকার নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়াই সাজানো মিথ্যা অভিযোগে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী নেতাকে গ্রেপ্তার করা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও উদ্বেগজনক ঘটনা। এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা কুচক্রী মহলকে চিহ্নিত করে সভ্য সমাজ থেকে বয়কট করা এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানান বিকাশ চন্দ্র গোলদার।
তিনি চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “একজন নির্দোষ ব্যবসায়ী ও সংগঠন পরিচালককে এভাবে হেনস্তা করা হলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়বে। অনতিবিলম্বে জনাব পিন্টু মিত্রকে মুক্তি দেওয়া না হলে এবং এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতারা সারাদেশে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।”























