দেবহাটা উপজেলায় মৎস্য চাষে বিপ্লব, হাজার হেক্টর জমিতে উৎপাদন
- Update Time : ১১:১৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ৬১ Time View

জি এম আব্বাস উদ্দিন (সাতক্ষীরা) জেলা প্রতিনিধি:সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা এখন মৎস্য চাষের উর্বর ভূমি। সাদা সোনা খ্যাত বাগদা ও গলদা চিংড়ির পাশাপাশি সাদা মাছ চাষে উপজেলার অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, দেবহাটায় বর্তমানে মোট জলাশয়ের পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার হেক্টর এর বেশি।
এর মধ্যে চিংড়ি ঘের (বাগদা ও গলদা)প্রায় ৭,৫০০ থেকে ৮,০০০ হেক্টর
পুকুর ও দীঘি ৮৯১ টি পুকুরে প্রায় ২৫৩ হেক্টর কার্প জাতীয় ও অন্যান্য মাছ চাষ প্রায় ১২০০ হেক্টর।ডোবা ও খাস জলাশয় প্রায় ৩৫ হেক্টর
দেবহাটা উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, উপজেলায় নিবন্ধিত মাছ চাষি প্রায় ৩,৫০০ জন এবং মৎস্যজীবী প্রায় ৫,০০০ জন।
উৎপাদন ও বিক্রি:দেবহাটা থেকে বছরে গড়ে ১২ হাজার থেকে ১৪ হাজার মেট্রিক টন মাছ ও চিংড়ি উৎপাদিত হয়। যার মধ্যে বাগদা চিংড়ি ৪৫০০ মে.টন, গলদা ১২০০ মে.টন এবং রুই, কাতলা, তেলাপিয়া, পাঙ্গাস সহ সাদা মাছ ৬-৭ হাজার মে.টন।
বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী প্রতি কেজি বাগদা ১১০০-১৩০০ টাকা, গলদা ৯০০-১১০০ টাকা এবং সাদা মাছ গড়ে ২৫০-৩৫০ টাকা হিসাবে এই উৎপাদনের বাজার মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা।
এই মাছের বড় অংশই রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে। দেবহাটার চিংড়ি যাচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকা ও জাপানে।
দেবহাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাম বলেন,দেবহাটা মৎস্য চাষে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। সরকারের পক্ষ থেকে উন্নত পদ্ধতিতে চাষ, পোনা বিতরণ এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যদি ঘেরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ে, উৎপাদন আরও ৩০% বাড়ানো সম্ভব।স্থানীয় চাষিরা জানান, লবণাক্ততা ও ভাইরাস কিছুটা সমস্যা করলেও দাম ভালো থাকায় তারা লাভবান হচ্ছেন।





















