👥 প্রতিনিধি তালিকা 📰 ই-পেপার
ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন

নিজেস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৮:০৬:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৬ Time View
Print

পাহাড়ের আলোকবর্তিকা সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন

জসীমউদ্দিন, মানিকছড়ি, খাগড়াছড়ি:পাহাড়ের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ এবং গুণীজনদের স্মৃতি সংরক্ষণের প্রত্যয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে পাহাড়ের গর্ব ঋতুপর্ণা চাকমাকে সংবর্ধনা এবং প্রয়াত সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাইনী হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়ার। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা দীপেন দেওয়ান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন রাঙামাটি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার এবং ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, এসপিপির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মৈত্রী চাকমা।

আয়োজকরা জানান, ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশের মধ্য দিয়ে পাহাড়ের মানুষের শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মেধা ও মনন বিকাশে কাজ করার প্রত্যাশা রয়েছে। রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা এবং কৃতী ব্যক্তিদের সম্মানিত করার উদ্যোগও এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে ঋতুপর্ণা চাকমাকে সংবর্ধনা প্রদান এবং প্রয়াত সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদকে মরণোত্তর সম্মাননা জানানোর মধ্য দিয়ে পাহাড়ের কৃতী ব্যক্তিত্ব ও গুণীজনদের অবদানকে স্মরণ করা হয়।

আলোচনা সভা, প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং সম্মাননা প্রদানের মধ্য দিয়ে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ উদ্যোগ পার্বত্য অঞ্চলের সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চা, মেধার বিকাশ এবং গুণীজনদের স্মৃতি সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন

Update Time : ০৮:০৬:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
Print

পাহাড়ের আলোকবর্তিকা সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন

জসীমউদ্দিন, মানিকছড়ি, খাগড়াছড়ি:পাহাড়ের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ এবং গুণীজনদের স্মৃতি সংরক্ষণের প্রত্যয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে পাহাড়ের গর্ব ঋতুপর্ণা চাকমাকে সংবর্ধনা এবং প্রয়াত সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাইনী হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়ার। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা দীপেন দেওয়ান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন রাঙামাটি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার এবং ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, এসপিপির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মৈত্রী চাকমা।

আয়োজকরা জানান, ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশের মধ্য দিয়ে পাহাড়ের মানুষের শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মেধা ও মনন বিকাশে কাজ করার প্রত্যাশা রয়েছে। রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা এবং কৃতী ব্যক্তিদের সম্মানিত করার উদ্যোগও এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে ঋতুপর্ণা চাকমাকে সংবর্ধনা প্রদান এবং প্রয়াত সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদকে মরণোত্তর সম্মাননা জানানোর মধ্য দিয়ে পাহাড়ের কৃতী ব্যক্তিত্ব ও গুণীজনদের অবদানকে স্মরণ করা হয়।

আলোচনা সভা, প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং সম্মাননা প্রদানের মধ্য দিয়ে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ উদ্যোগ পার্বত্য অঞ্চলের সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চা, মেধার বিকাশ এবং গুণীজনদের স্মৃতি সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।