👥 প্রতিনিধি তালিকা 📰 ই-পেপার
ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে উন্নয়নের চমক দেড় হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান

নিজেস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ০১:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১০৭ Time View
Print

মো:রবিউল ইসলাম পীরগন্জ উপজেলা প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রকল্প: ব্যয়, কাজ ও অগ্রগতির বিস্তারিত

ঠাকুরগাঁও জেলার যোগাযোগ ও নাগরিক অবকাঠামো উন্নয়নে সড়ক প্রশস্তকরণ, পৌর সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিট লাইট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
(১️) ১২টি সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প প্রকল্প ব্যয়: প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। বাস্তবায়নকারী সংস্থা: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।প্রকল্পের আওতা: প্রথম ধাপে জেলার ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।উদ্দেশ্য: গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ও সড়ক চলাচল সহজ করা

প্রকল্পের নাম: রুরাল কানেক্টিভিটি ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (RCIP)
ইতিমধ্যে ২০২৬ সালের আগস্টে প্রকল্পটির কাজ শুরুর খবর পাওয়া যায়।(২️)ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিট লাইট প্রকল্প।প্রকল্প ব্যয়: ২৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।অর্থায়ন: বিশ্বব্যাংক।বাস্তবায়নকারী: ঠাকুরগাঁও পৌরসভা। উদ্বোধন: ৩১ অক্টোবর ২০২৫।প্রধান কাজ: সড়ক নির্মাণ, আরসিসি ড্রেন নির্মাণ এবং আধুনিক স্ট্রিট লাইট স্থাপন।

উল্লেখযোগ্য স্থান:
সত্যপীর সেতু থেকে গোয়ালপাড়া সুলতানের বাড়ি পর্যন্ত সড়ক।মির্জা পাম্পের পূর্ব দিক থেকে নারগুনগামী সড়ক।
(৩) জেলার প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা
জেলার সার্বিক উন্নয়নে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই অঙ্কের মধ্যে কোন কোন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত, সেগুলোর পৃথক ব্যয়, অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের অবস্থা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ সরকারি তালিকা এখানে যাচাই করা যায়নি। তাই এটিকে সব প্রকল্পের অনুমোদিত বা ব্যয়িত অর্থের চূড়ান্ত হিসাব হিসেবে ধরা ঠিক হবে না।
উন্নয়নের সম্ভাব্য সুফল
গ্রামীণ এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হওয়া পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়তা।রাতের সড়ক চলাচলে আলোকসুবিধা বৃদ্ধি।মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন সহজ হওয়া।ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে এসব প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকৃত অগ্রগতি ও সুফল নির্ভর করবে নির্ধারিত কাজের মান, সময়মতো বাস্তবায়ন এবং যথাযথ তদারকির ওপর।সবমিলিয়ে বলা যায় দীর্ঘদিন অবহেলার পর ঠাকুরগাঁওবাসী পেতে যাচ্ছে আধুনিক ও মডেল একটি শহর।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ঠাকুরগাঁওয়ে উন্নয়নের চমক দেড় হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান

Update Time : ০১:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
Print

মো:রবিউল ইসলাম পীরগন্জ উপজেলা প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রকল্প: ব্যয়, কাজ ও অগ্রগতির বিস্তারিত

ঠাকুরগাঁও জেলার যোগাযোগ ও নাগরিক অবকাঠামো উন্নয়নে সড়ক প্রশস্তকরণ, পৌর সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিট লাইট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
(১️) ১২টি সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প প্রকল্প ব্যয়: প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। বাস্তবায়নকারী সংস্থা: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।প্রকল্পের আওতা: প্রথম ধাপে জেলার ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।উদ্দেশ্য: গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ও সড়ক চলাচল সহজ করা

প্রকল্পের নাম: রুরাল কানেক্টিভিটি ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (RCIP)
ইতিমধ্যে ২০২৬ সালের আগস্টে প্রকল্পটির কাজ শুরুর খবর পাওয়া যায়।(২️)ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিট লাইট প্রকল্প।প্রকল্প ব্যয়: ২৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।অর্থায়ন: বিশ্বব্যাংক।বাস্তবায়নকারী: ঠাকুরগাঁও পৌরসভা। উদ্বোধন: ৩১ অক্টোবর ২০২৫।প্রধান কাজ: সড়ক নির্মাণ, আরসিসি ড্রেন নির্মাণ এবং আধুনিক স্ট্রিট লাইট স্থাপন।

উল্লেখযোগ্য স্থান:
সত্যপীর সেতু থেকে গোয়ালপাড়া সুলতানের বাড়ি পর্যন্ত সড়ক।মির্জা পাম্পের পূর্ব দিক থেকে নারগুনগামী সড়ক।
(৩) জেলার প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা
জেলার সার্বিক উন্নয়নে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই অঙ্কের মধ্যে কোন কোন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত, সেগুলোর পৃথক ব্যয়, অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের অবস্থা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ সরকারি তালিকা এখানে যাচাই করা যায়নি। তাই এটিকে সব প্রকল্পের অনুমোদিত বা ব্যয়িত অর্থের চূড়ান্ত হিসাব হিসেবে ধরা ঠিক হবে না।
উন্নয়নের সম্ভাব্য সুফল
গ্রামীণ এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হওয়া পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়তা।রাতের সড়ক চলাচলে আলোকসুবিধা বৃদ্ধি।মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন সহজ হওয়া।ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে এসব প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকৃত অগ্রগতি ও সুফল নির্ভর করবে নির্ধারিত কাজের মান, সময়মতো বাস্তবায়ন এবং যথাযথ তদারকির ওপর।সবমিলিয়ে বলা যায় দীর্ঘদিন অবহেলার পর ঠাকুরগাঁওবাসী পেতে যাচ্ছে আধুনিক ও মডেল একটি শহর।