ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জবিতে কারবালার শিক্ষা ও নৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • / ২৯ Time View
Print

রাকিব মাহী, জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘কারবালার শিক্ষা, নৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং রাষ্ট্রগঠন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। কারবালার ঐতিহাসিক শিক্ষা, নৈতিক নেতৃত্ব ও সমাজ গঠনে এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করতে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘প্রজ্ঞাপথ সোসাইটি’র উদ্যোগে ‘The Enduring Legacy of Karbala: Towards Ethical Leadership, Social Justice and State-Building’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন মুফতি ড. সাইয়েদ মোহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শায়খ মুহাম্মদ সাইফুল আজম বাবর আল-আজহারী।

বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন শায়েখ মুফতি সাইফুল ইসলাম বারী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নূরুল্লাহ।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাফেজ রহমত উল্লাহ মাক্কীর কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সেমিনারের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে ও সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়।

আলোচনায় বক্তারা কারবালার শিক্ষা, আত্মত্যাগ, নৈতিক দৃঢ়তা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায়বিচারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, বর্তমান সমাজে নৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় কারবালার আদর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধান অতিথি মুফতি ড. সাইয়েদ মোহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী কারবালাকে সত্য, ন্যায় ও আত্মত্যাগের চিরন্তন আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দিন শিক্ষার্থীদের নৈতিক নেতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে কারবালার শিক্ষা ধারণের আহ্বান জানান।

সেমিনারে সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়। পরে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু তৈয়ব মো. নাজমুস সাকিব ভূঁইয়ার তত্ত্বাবধানে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ২০ শিক্ষার্থীর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মিলাদ, কিয়াম ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মীসহ তিন শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

জবিতে কারবালার শিক্ষা ও নৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৮:১১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
Print

রাকিব মাহী, জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘কারবালার শিক্ষা, নৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং রাষ্ট্রগঠন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। কারবালার ঐতিহাসিক শিক্ষা, নৈতিক নেতৃত্ব ও সমাজ গঠনে এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করতে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘প্রজ্ঞাপথ সোসাইটি’র উদ্যোগে ‘The Enduring Legacy of Karbala: Towards Ethical Leadership, Social Justice and State-Building’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন মুফতি ড. সাইয়েদ মোহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শায়খ মুহাম্মদ সাইফুল আজম বাবর আল-আজহারী।

বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন শায়েখ মুফতি সাইফুল ইসলাম বারী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নূরুল্লাহ।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাফেজ রহমত উল্লাহ মাক্কীর কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সেমিনারের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে ও সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়।

আলোচনায় বক্তারা কারবালার শিক্ষা, আত্মত্যাগ, নৈতিক দৃঢ়তা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায়বিচারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, বর্তমান সমাজে নৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় কারবালার আদর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধান অতিথি মুফতি ড. সাইয়েদ মোহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী কারবালাকে সত্য, ন্যায় ও আত্মত্যাগের চিরন্তন আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দিন শিক্ষার্থীদের নৈতিক নেতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে কারবালার শিক্ষা ধারণের আহ্বান জানান।

সেমিনারে সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়। পরে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু তৈয়ব মো. নাজমুস সাকিব ভূঁইয়ার তত্ত্বাবধানে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ২০ শিক্ষার্থীর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মিলাদ, কিয়াম ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মীসহ তিন শতাধিক মানুষ অংশ নেন।