ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনা দীঘলিয়া হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় স্কুলের বাথরুম থেকে নবম শ্রেণীর ছাত্রী উদ্ধার।

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪৭ Time View
Print

মোঃ মহাসিন, খুলনা বিভাগীয়, প্রতিনিধি
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট হাজী নঈম উদ্দিন মোল্লা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে নন্দিতা বিশ্বাস নামের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিদ্যালয়ের বাথরুমের তালা ভেঙে তাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নন্দিতা গাজীরহাট ইউনিয়নের ডোমরা গ্রামের মুক্তি বিশ্বাসের মেয়ে।

স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্কুল ছুটির পর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। তবে স্কুলের একটি নতুন ভবনে নির্মাণকাজ চলায় কয়েকজন শ্রমিক সন্ধ্যা পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। কাজ শেষে ভবনের বাথরুমে গোসল করতে যাওয়ার সময় ভেতর থেকে অস্পষ্ট শব্দ শুনতে পান শ্রমিকরা। সন্দেহ হলে তারা হাতুড়ি দিয়ে বাথরুমের তালা ভেঙে ভেতর হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় নন্দিতাকে পড়ে থাকতে দেখেন।

শ্রমিকরা তাৎক্ষণিকভাবে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত চিকিৎসক মফিজুর রহমান শাফিনের চেম্বারে নিয়ে যান।

চিকিৎসক মফিজুর রহমান জানান, সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটার দিকে মেয়েটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তার চেম্বারে আনা হয়। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি অক্সিজেন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। খবর পেয়ে নন্দিতার বাবা-মা চেম্বারে উপস্থিত হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের পরামর্শ দেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

খুলনা দীঘলিয়া হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় স্কুলের বাথরুম থেকে নবম শ্রেণীর ছাত্রী উদ্ধার।

Update Time : ০৩:৩৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
Print

মোঃ মহাসিন, খুলনা বিভাগীয়, প্রতিনিধি
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট হাজী নঈম উদ্দিন মোল্লা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে নন্দিতা বিশ্বাস নামের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিদ্যালয়ের বাথরুমের তালা ভেঙে তাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নন্দিতা গাজীরহাট ইউনিয়নের ডোমরা গ্রামের মুক্তি বিশ্বাসের মেয়ে।

স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্কুল ছুটির পর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। তবে স্কুলের একটি নতুন ভবনে নির্মাণকাজ চলায় কয়েকজন শ্রমিক সন্ধ্যা পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। কাজ শেষে ভবনের বাথরুমে গোসল করতে যাওয়ার সময় ভেতর থেকে অস্পষ্ট শব্দ শুনতে পান শ্রমিকরা। সন্দেহ হলে তারা হাতুড়ি দিয়ে বাথরুমের তালা ভেঙে ভেতর হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় নন্দিতাকে পড়ে থাকতে দেখেন।

শ্রমিকরা তাৎক্ষণিকভাবে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত চিকিৎসক মফিজুর রহমান শাফিনের চেম্বারে নিয়ে যান।

চিকিৎসক মফিজুর রহমান জানান, সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটার দিকে মেয়েটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তার চেম্বারে আনা হয়। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি অক্সিজেন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। খবর পেয়ে নন্দিতার বাবা-মা চেম্বারে উপস্থিত হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের পরামর্শ দেন।