ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল: বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা

মোঃ রিপন ইসলাম, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • Update Time : ১২:২৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮ Time View
Print

মোঃ রিপন ইসলাম, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। জুলাই ও আগস্ট মাসে স্বাভাবিক ব্যবহারের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি বিল আসার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। এ নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্বাভাবিক সময়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পর তারা যে পরিমাণ বিল পরিশোধ করতেন, সাম্প্রতিক দুই মাসে কোনো কোনো গ্রাহকের বিল তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি এসেছে। এতে বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে মিটার রিডিং ও বিল তৈরির প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
​গ্রাহকদের দাবি, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত সরেজমিনে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি সঠিকভাবে মিটার রিডিং গ্রহণ এবং বিলিং প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবিও জানান তারা।
​এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “গরমের সময়ে বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের খরচ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে জুলাই ও আগস্ট মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ও ব্যবহার তুলনামূলক বেশি থাকায় বিল কিছুটা বেশি আসতে পারে।”
​তবে ডিজিএম-এর এই বক্তব্যের পরও ভুক্তভোগী গ্রাহকদের আকুল আবেদন—প্রতিটি অভিযোগ যেন গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হয় এবং বিলে কোনো ভুল বা অনিয়ম থাকলে তা দ্রুত সংশোধন করে সঠিক বিল প্রদান করা হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

কিশোরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল: বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা

Update Time : ১২:২৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

মোঃ রিপন ইসলাম, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। জুলাই ও আগস্ট মাসে স্বাভাবিক ব্যবহারের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি বিল আসার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। এ নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্বাভাবিক সময়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পর তারা যে পরিমাণ বিল পরিশোধ করতেন, সাম্প্রতিক দুই মাসে কোনো কোনো গ্রাহকের বিল তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি এসেছে। এতে বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে মিটার রিডিং ও বিল তৈরির প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
​গ্রাহকদের দাবি, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত সরেজমিনে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি সঠিকভাবে মিটার রিডিং গ্রহণ এবং বিলিং প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবিও জানান তারা।
​এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “গরমের সময়ে বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের খরচ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে জুলাই ও আগস্ট মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ও ব্যবহার তুলনামূলক বেশি থাকায় বিল কিছুটা বেশি আসতে পারে।”
​তবে ডিজিএম-এর এই বক্তব্যের পরও ভুক্তভোগী গ্রাহকদের আকুল আবেদন—প্রতিটি অভিযোগ যেন গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হয় এবং বিলে কোনো ভুল বা অনিয়ম থাকলে তা দ্রুত সংশোধন করে সঠিক বিল প্রদান করা হয়।