ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসি ল্যান্ড ছাড়া দীর্ঘ দিন গোপালগঞ্জ সদরে ভূমি সেবায় চরম ভোগান্তি, দ্রুত পদায়নের দাবি

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৯ Time View
Print

লুৎফর সিকদার,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত সেবাপ্রার্থী। সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমিন শরিফের বদলির পর প্রায় দেড় থেকে দুই মাস পার হয়ে গেলেও নতুন কোনো কর্মকর্তা যোগদান না করায় প্রশাসনিক কাজ স্থবির হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ভূমি মালিকদের অভিযোগ, নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় জমি সংক্রান্ত অতি জরুরি কাজ যেমন—নামজারি (মিউটেশন) নিষ্পাত্তি, শুনানিতে অংশ নেওয়া, জমির খাজনা প্রদান, ভূমি রেকর্ড সংশোধন ও অভিযোগ যাচাই-বাছাইয়ের ফাইল স্থবির হয়ে আছে। ফলে জমি ক্রয়-বিক্রয় ও উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি হালনাগাদ করতে আসা সাধারণ মানুষকে দিনের পর দিন ঘুরে একাধিকবার অফিসে এসেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে।
সেবাপ্রার্থীরা জানান, ভূমি সেবা মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও সম্পত্তিসংক্রান্ত মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় সেবার স্বাভাবিক গতি যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি বৃদ্ধি পাচ্ছে জনভোগান্তি। একজন স্থায়ী কর্মকর্তা থাকলে আবেদনগুলো দ্রুত পর্যালোচনা ও নিষ্পত্তির পাশাপাশি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সদর উপজেলার বাসিন্দারা দ্রুত নতুন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। একই সঙ্গে স্থায়ী কর্মকর্তা না আসা পর্যন্ত সাময়িকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার মাধ্যমে জরুরি আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

এসি ল্যান্ড ছাড়া দীর্ঘ দিন গোপালগঞ্জ সদরে ভূমি সেবায় চরম ভোগান্তি, দ্রুত পদায়নের দাবি

Update Time : ১১:৩৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

লুৎফর সিকদার,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত সেবাপ্রার্থী। সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমিন শরিফের বদলির পর প্রায় দেড় থেকে দুই মাস পার হয়ে গেলেও নতুন কোনো কর্মকর্তা যোগদান না করায় প্রশাসনিক কাজ স্থবির হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ভূমি মালিকদের অভিযোগ, নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় জমি সংক্রান্ত অতি জরুরি কাজ যেমন—নামজারি (মিউটেশন) নিষ্পাত্তি, শুনানিতে অংশ নেওয়া, জমির খাজনা প্রদান, ভূমি রেকর্ড সংশোধন ও অভিযোগ যাচাই-বাছাইয়ের ফাইল স্থবির হয়ে আছে। ফলে জমি ক্রয়-বিক্রয় ও উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি হালনাগাদ করতে আসা সাধারণ মানুষকে দিনের পর দিন ঘুরে একাধিকবার অফিসে এসেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে।
সেবাপ্রার্থীরা জানান, ভূমি সেবা মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও সম্পত্তিসংক্রান্ত মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় সেবার স্বাভাবিক গতি যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি বৃদ্ধি পাচ্ছে জনভোগান্তি। একজন স্থায়ী কর্মকর্তা থাকলে আবেদনগুলো দ্রুত পর্যালোচনা ও নিষ্পত্তির পাশাপাশি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সদর উপজেলার বাসিন্দারা দ্রুত নতুন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। একই সঙ্গে স্থায়ী কর্মকর্তা না আসা পর্যন্ত সাময়িকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার মাধ্যমে জরুরি আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।