ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা উধাও, তদন্ত কমিটি গঠন

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৮ Time View

Screenshot

Print

ইবি প্রতিনিধি:ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের পরীক্ষার খাতার উত্তরপত্র খুঁজে না পাওয়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ২য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের পরীক্ষা-২০২৫-এর ২১০৭ নম্বর কোর্সের ২য় পরীক্ষকের উত্তরপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। উত্তরপত্রগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের কাছে দেয়া হয়েছিল বলে দাবি বিভাগের সংশ্লিষ্টদের। তবে প্রো-ভিসি তা অস্বীকার করেছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আয়নুল হক আকন্দকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরুজ্জামান।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গঠিত তদন্ত কমিটি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আগামী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ বলেন, ‘চিঠি পেয়েছি। কাজ শুরু করে দিচ্ছি।’

প্রসঙ্গত, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ২১০৭ নম্বর কোর্সের ৬০টির বেশি উত্তরপত্র হারিয়ে যায়। বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কোর্সের ইন্টারনাল পরীক্ষক ড. শাহাবুল আলম গত ১১ মে উত্তরপত্র নেন এবং ২০ মে বিভাগে জমা দেন। এরপর বিভাগীয় কর্মচারী জাবেদ আলীর দাবি, তিনি উত্তরপত্রগুলো কোর্সের দ্বিতীয় পরীক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের কাছে জমা দিয়েছিলেন। তবে উপ-উপাচার্য দাবি, উত্তরপত্র তাঁর কাছে আসেনি। এই নিয়ে সৃষ্টি হয় দায় চাপানোর পরিস্থিতি। বিভাগে একটা আভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা উধাও, তদন্ত কমিটি গঠন

Update Time : ০৩:২৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
Print

ইবি প্রতিনিধি:ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের পরীক্ষার খাতার উত্তরপত্র খুঁজে না পাওয়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ২য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের পরীক্ষা-২০২৫-এর ২১০৭ নম্বর কোর্সের ২য় পরীক্ষকের উত্তরপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। উত্তরপত্রগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের কাছে দেয়া হয়েছিল বলে দাবি বিভাগের সংশ্লিষ্টদের। তবে প্রো-ভিসি তা অস্বীকার করেছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আয়নুল হক আকন্দকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরুজ্জামান।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গঠিত তদন্ত কমিটি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আগামী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ বলেন, ‘চিঠি পেয়েছি। কাজ শুরু করে দিচ্ছি।’

প্রসঙ্গত, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ২১০৭ নম্বর কোর্সের ৬০টির বেশি উত্তরপত্র হারিয়ে যায়। বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কোর্সের ইন্টারনাল পরীক্ষক ড. শাহাবুল আলম গত ১১ মে উত্তরপত্র নেন এবং ২০ মে বিভাগে জমা দেন। এরপর বিভাগীয় কর্মচারী জাবেদ আলীর দাবি, তিনি উত্তরপত্রগুলো কোর্সের দ্বিতীয় পরীক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের কাছে জমা দিয়েছিলেন। তবে উপ-উপাচার্য দাবি, উত্তরপত্র তাঁর কাছে আসেনি। এই নিয়ে সৃষ্টি হয় দায় চাপানোর পরিস্থিতি। বিভাগে একটা আভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয়।