যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
- Update Time : ০৬:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / ২৪ Time View

মাসুদ রানা (যশোর)থেকে:যশোর শহরে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় সেখানে চেম্বার করা কথিত ভুয়া চিকিৎসক মতিয়ার রহমান অভিযান শুরুর আগেই পালিয়ে যান। অন্যদিকে, লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনিয়ম ও প্যাথলজি ল্যাব না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ করে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিম বিনতে মুস্তাফিজ ও স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার নবনীতা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসাসেবা প্রদানের উপযুক্ত পরিবেশ না থাকার বিষয়টি উঠে আসে। সেখানে মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসক হিসেবে চেম্বার করতেন। তবে অভিযানের খবর পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে, লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের বহির্বিভাগের রোগীদের দুটি সরকারি টিকিট পাওয়া যায়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো প্যাথলজি ল্যাব পাওয়া যায়নি। অভিযানের সময় মালিকপক্ষের কাউকে উপস্থিত না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ করে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যশোর মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মনির হাসানের অংশীদারিত্ব রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিম বিনতে মুস্তাফিজ জানান, লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের বহির্বিভাগের দুটি সরকারি টিকিট পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো প্যাথলজি ল্যাবও নেই। এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসাসেবার উপযুক্ত পরিবেশ না থাকা এবং সেখানে কথিত ভুয়া চিকিৎসকের চেম্বার করার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মালিকপক্ষকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।




















