ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের ১৫৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআই নম্বর সাময়িক স্থগিত

Reporter Name
  • Update Time : ০৭:২৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২৫২ Time View
Print

বার্ষিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জরিপ ২০২৫-এ প্রয়োজনীয় তথ্য না দেওয়ায় দেশের ১৫৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ইআইআইএন) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।

ব্যানবেইসের পরিসংখ্যান বিভাগের পরিচালক প্রফেসর মো. গোলাম ফিরোজ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের বার্ষিক শিক্ষা জরিপ কার্যক্রম গত ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান তথ্য আপলোড করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, মাঠ পর্যায়ে তদন্ত এবং টেলিফোনিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানা গেছে, তালিকায় থাকা অনেক প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, কয়েকটির অস্তিত্ব নেই এবং কিছু প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র শর্ট কোর্স পরিচালনা করছে।

সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং একাডেমিক সুপারভাইজারদের প্রত্যয়ন ও সুপারিশের ভিত্তিতে এই স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়েছে বলে মাউশির মহাপরিচালককে জানিয়েছে ব্যানবেইস।

এর ফলে ব্যানবেইসের ডাটাবেজে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ইআইআইএন এখন থেকে কার্যকর থাকবে না।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

দেশের ১৫৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআই নম্বর সাময়িক স্থগিত

Update Time : ০৭:২৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
Print

বার্ষিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জরিপ ২০২৫-এ প্রয়োজনীয় তথ্য না দেওয়ায় দেশের ১৫৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ইআইআইএন) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।

ব্যানবেইসের পরিসংখ্যান বিভাগের পরিচালক প্রফেসর মো. গোলাম ফিরোজ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের বার্ষিক শিক্ষা জরিপ কার্যক্রম গত ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান তথ্য আপলোড করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, মাঠ পর্যায়ে তদন্ত এবং টেলিফোনিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানা গেছে, তালিকায় থাকা অনেক প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, কয়েকটির অস্তিত্ব নেই এবং কিছু প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র শর্ট কোর্স পরিচালনা করছে।

সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং একাডেমিক সুপারভাইজারদের প্রত্যয়ন ও সুপারিশের ভিত্তিতে এই স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়েছে বলে মাউশির মহাপরিচালককে জানিয়েছে ব্যানবেইস।

এর ফলে ব্যানবেইসের ডাটাবেজে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ইআইআইএন এখন থেকে কার্যকর থাকবে না।