👥 প্রতিনিধি তালিকা 📰 ই-পেপার
ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেবহাটায় আমন ধান চাষে ব্যস্ত কৃষক, লক্ষ্যমাত্রা ৪৪১০ হেক্টর।

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৩:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১১১ Time View
Print

জিএম আব্বাস উদ্দীন (সাতক্ষীরা) জেলা প্রতিনিধি: রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দেবহাটা উপজেলায় আমন চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৪ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। 777b

যে জাতগুলো চাষ হচ্ছে:
মাঠে এবার ব্রি-৫২, ৭৫, ৮৫, ৮৭, ৯৩, ৯৫, ৯৬, ৯৭, ১০৩, বিআর-২৩ সহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল জাতের ধান রোপণ করছেন কৃষকরা। 777b

সরকারি সহায়তা:
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রতি কৃষককে ৫ কেজি বীজ ধান, ১০ কেজি এমওপি ও ১০ কেজি ডিএপি সার প্রণোদনা হিসেবে দেওয়া হয়েছে। 777b

সরেজমিনে নোয়াপাড়া, পারুলিয়া, সখিপুর, বহেরা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জমি প্রস্তুত, চারা উত্তোলন ও রোপণের কাজ চলছে।

নোয়াপাড়ার কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, “এবার ৪ বিঘা জমিতে ব্রি-৯৩ ও ১০৩ জাত লাগাচ্ছি। ট্রাক্টরে ৫০০ টাকা বিঘা চাষ, আর লাগাতে ১৬০০-১৮০০ টাকা লাগছে। খরচ বাড়লেও গত বোরোতে ভালো দাম পেয়েছি, তাই এবার আশাবাদী।

কৃষি অফিসের বক্তব্য:
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোপা আমনে কৃষকদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। আমাদের মাঠকর্মীরা জমি প্রস্তুত, সার প্রয়োগ, রোগবালাই দমন নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন। যেখানে পানি আছে সেখানে রোপণ শেষের পথে, কিছু উঁচু জমিতে বৃষ্টির অপেক্ষা। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছি।

তবে কৃষকরা শ্রমিক সংকট ও মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত। বর্তমানে একজন রোপণ শ্রমিকের মজুরি ৫০০-৬০০ টাকা।

আবহাওয়া ঠিক থাকলে নভেম্বরের শেষে কাটা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

দেবহাটায় আমন ধান চাষে ব্যস্ত কৃষক, লক্ষ্যমাত্রা ৪৪১০ হেক্টর।

Update Time : ১০:৩৩:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

জিএম আব্বাস উদ্দীন (সাতক্ষীরা) জেলা প্রতিনিধি: রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দেবহাটা উপজেলায় আমন চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৪ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। 777b

যে জাতগুলো চাষ হচ্ছে:
মাঠে এবার ব্রি-৫২, ৭৫, ৮৫, ৮৭, ৯৩, ৯৫, ৯৬, ৯৭, ১০৩, বিআর-২৩ সহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল জাতের ধান রোপণ করছেন কৃষকরা। 777b

সরকারি সহায়তা:
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রতি কৃষককে ৫ কেজি বীজ ধান, ১০ কেজি এমওপি ও ১০ কেজি ডিএপি সার প্রণোদনা হিসেবে দেওয়া হয়েছে। 777b

সরেজমিনে নোয়াপাড়া, পারুলিয়া, সখিপুর, বহেরা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জমি প্রস্তুত, চারা উত্তোলন ও রোপণের কাজ চলছে।

নোয়াপাড়ার কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, “এবার ৪ বিঘা জমিতে ব্রি-৯৩ ও ১০৩ জাত লাগাচ্ছি। ট্রাক্টরে ৫০০ টাকা বিঘা চাষ, আর লাগাতে ১৬০০-১৮০০ টাকা লাগছে। খরচ বাড়লেও গত বোরোতে ভালো দাম পেয়েছি, তাই এবার আশাবাদী।

কৃষি অফিসের বক্তব্য:
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোপা আমনে কৃষকদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। আমাদের মাঠকর্মীরা জমি প্রস্তুত, সার প্রয়োগ, রোগবালাই দমন নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন। যেখানে পানি আছে সেখানে রোপণ শেষের পথে, কিছু উঁচু জমিতে বৃষ্টির অপেক্ষা। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছি।

তবে কৃষকরা শ্রমিক সংকট ও মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত। বর্তমানে একজন রোপণ শ্রমিকের মজুরি ৫০০-৬০০ টাকা।

আবহাওয়া ঠিক থাকলে নভেম্বরের শেষে কাটা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।