ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করায় যুবককে বেদম মারপিট

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৬ Time View
Print

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ:গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া উপজেলায় এক স্কুল শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করায় কবির শেখ(৩৫)নামে এক যুবককে মারধর করা হয়েছে।

মারধরে আহত কবিরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেন।আজ রোববার উপজেলার কুশলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার কবির শেখ বিরামের কান্দি গ্রামের সরোয়ার শেখের ছেলে।
জানাগেছে , গত ৬ মাস ধরে স্কুলে যাওয়া আসার পথে কবির শেখ প্রায়ই ওই স্কুল শিক্ষকাকে উত্ত্যক্ত করতো।এ বিষয় নিয়ে ওই শিক্ষিকা কবিরের পরিবারের কাছে জানিয়েও কোন প্রতিকার পায়নি।

পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অফিযোগ দিলেও তারা কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

ঘটনার দিন সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে কবির শেখ ওই শিক্ষিকার পথরোধ করলে তাঁর আত্মীয় স্বজন এগিয়ে এসে মারধর করে কবিরকে ফেলে রেখে যায়।

খবর পেয়ে কবিরের পরিবারের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তারে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

মারধরের শিকার কবির শেখের ভাতিজি জোসনা বেগম বলেন,আমার চাচার একটু মাথায় সমস্যা আছে।সে আগে অটো চালাইতো।এই অটোতে যাওয়া আসার সময় ওই শিক্ষিকার সাথে পরিচয় হয়। এরপর থেকে সে ওই শিক্ষিকাকে বিয়ে করার জন্য পাগলামী শুরু করে।তবে তাকে এ ভাবে মারধর করা ঠিক হয়নি।

কবির শেখের উত্ত্যক্তের শিকার ওই শিক্ষিকা বলেন, আমি স্কুলে যাওয়া আসার পথে কবির প্রায়ই আমাকে উত্ত্যক্ত করতো। পথরোধ করতো। মাঝে মাঝে স্কুলে যাওয়ার পথে পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে দিতো। আমি সামাজিক ভাবে এলাকাবাসীকে জানিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি।ওর উত্ত্যক্তের কারণে অনেক সময় ভয়ে ছুটি নিতাম।উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা অফিসে আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাইনি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওই শিক্ষিকা বলেন, কারা কবির শেখকে কে মারধর করেছে তা আমি জানি না।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখর রঞ্জণ ভক্ত বলেন , ওই শিক্ষিকা আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে ছিলেন।এরপর ইউএনও স্যারকে নিয়ে কবির ও তার পরিবারের লোকজনদের ডেকে আনা হয়েছিল। তারা ওই শিক্ষিকাকে আর উত্ত্যক্ত করবে না বলে কথা দিয়েছিলেন।

কোটালীপাড়া থানার অফিসার এস আই সুকুমার কুন্ড বলেন , এ বিষয়ে কোন পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করায় যুবককে বেদম মারপিট

Update Time : ০৬:৫৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
Print

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ:গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া উপজেলায় এক স্কুল শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করায় কবির শেখ(৩৫)নামে এক যুবককে মারধর করা হয়েছে।

মারধরে আহত কবিরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেন।আজ রোববার উপজেলার কুশলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার কবির শেখ বিরামের কান্দি গ্রামের সরোয়ার শেখের ছেলে।
জানাগেছে , গত ৬ মাস ধরে স্কুলে যাওয়া আসার পথে কবির শেখ প্রায়ই ওই স্কুল শিক্ষকাকে উত্ত্যক্ত করতো।এ বিষয় নিয়ে ওই শিক্ষিকা কবিরের পরিবারের কাছে জানিয়েও কোন প্রতিকার পায়নি।

পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অফিযোগ দিলেও তারা কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

ঘটনার দিন সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে কবির শেখ ওই শিক্ষিকার পথরোধ করলে তাঁর আত্মীয় স্বজন এগিয়ে এসে মারধর করে কবিরকে ফেলে রেখে যায়।

খবর পেয়ে কবিরের পরিবারের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তারে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

মারধরের শিকার কবির শেখের ভাতিজি জোসনা বেগম বলেন,আমার চাচার একটু মাথায় সমস্যা আছে।সে আগে অটো চালাইতো।এই অটোতে যাওয়া আসার সময় ওই শিক্ষিকার সাথে পরিচয় হয়। এরপর থেকে সে ওই শিক্ষিকাকে বিয়ে করার জন্য পাগলামী শুরু করে।তবে তাকে এ ভাবে মারধর করা ঠিক হয়নি।

কবির শেখের উত্ত্যক্তের শিকার ওই শিক্ষিকা বলেন, আমি স্কুলে যাওয়া আসার পথে কবির প্রায়ই আমাকে উত্ত্যক্ত করতো। পথরোধ করতো। মাঝে মাঝে স্কুলে যাওয়ার পথে পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে দিতো। আমি সামাজিক ভাবে এলাকাবাসীকে জানিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি।ওর উত্ত্যক্তের কারণে অনেক সময় ভয়ে ছুটি নিতাম।উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা অফিসে আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাইনি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওই শিক্ষিকা বলেন, কারা কবির শেখকে কে মারধর করেছে তা আমি জানি না।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখর রঞ্জণ ভক্ত বলেন , ওই শিক্ষিকা আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে ছিলেন।এরপর ইউএনও স্যারকে নিয়ে কবির ও তার পরিবারের লোকজনদের ডেকে আনা হয়েছিল। তারা ওই শিক্ষিকাকে আর উত্ত্যক্ত করবে না বলে কথা দিয়েছিলেন।

কোটালীপাড়া থানার অফিসার এস আই সুকুমার কুন্ড বলেন , এ বিষয়ে কোন পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।