কিশোরগঞ্জে সতীশ চন্দ্র রায়ের বার্ষিক শ্রাদ্ধে অষ্টপ্রহরব্যাপী নামযজ্ঞ: ভক্তদের ঢল
- Update Time : ০৯:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
- / ৪২ Time View

প্রতিবেদন:নবাব রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার
বিশ্ব শান্তিকল্পে ও সকল জীবের মুক্তি কামনায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে স্বর্গীয় সতীশ চন্দ্র রায়-এর বার্ষিক শ্রাদ্ধ উপলক্ষে অষ্ট প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ জিউর মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান শুরু হয়েছে।
১৮ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ (৩রা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ), রোজ বৃহস্পতিবার থেকে কিশোরগঞ্জের উত্তর বাহাগিলী খামাতপাড়া এলাকার নেতার বাজার সংলগ্ন নিজ গৃহালয়ে এই ধর্মীয় উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এই মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দূর-দূরান্তের অসংখ্য ধর্মপ্রাণ দর্শনার্থী ও ভক্তবৃন্দের ঢল নেমেছে। অনুষ্ঠানস্থলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা এই সমস্ত দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে মানসম্মত খাওয়া-দাওয়ার সুব্যবস্থা।
অনুষ্ঠানটির নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। বিশেষ করে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার বাহিনীর একটি চৌকস দল নিয়োজিত রয়েছে। দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা হলেন:
১. মো: দৌল মাহমুদ
২. তাহবু ইসলাম
৩. মো: মোফাছেল ইসলাম
নিয়োজিত এই বাহিনীর সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উৎসবকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার আইনশৃঙ্খলাজনিত অপ্রীতিকর ঘটনা বা ঝামেলা ঘটেনি। দর্শনার্থীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন এবং খাওয়া-দাওয়া শেষে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাচ্ছেন।
দর্শকদের এই উপচে পড়া ভিড় এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা পুরো মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানটিকে এক মিলনমেলায় পরিণত করেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্বর্গীয় সতীশ চন্দ্র রায়ের বার্ষিক শ্রাদ্ধকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করছেন অশোক কুমার রায়। অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বাবু গজেন্দ্র নাথ রায় (দীপিকা টেলিকম) ও বাবু মৃনাল কান্তি রায় (মৃনাল থাইঘর এন্ড অটোবি)।
যজ্ঞানুষ্ঠানটির মূল আয়োজক হিসেবে রয়েছেন মাধুরী রায় (শর্মিলা), ধর্মরাজ রায় ও নবনীতা রায় (মৈত্রী)। এছাড়া নিমন্ত্রণে রয়েছেন স্বর্গীয় সতীশ চন্দ্র রায়ের ভাগ্যহীনা সহ-ধর্মিণী শ্রীমতী অঞ্জনা রানী রায়।

























