শ্যামনগরে ঐতিহাসিক নিদর্শন সমূহ পরিদর্শনে সহকারী কাস্টোডিয়ান শাহিন মিয়া
- Update Time : ০৯:২০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
- / ৫ Time View

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগরের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ডিও লেটারের প্রেক্ষিতে ঐতিহাসিক নিদর্শন বংশীপুর শাহী মসজিদ, হাবসীখানা, জাহাজঘাটা,নকিপুরের ঐতিহাসিক জমিদারবাড়ি ও নহবতখানা সংরক্ষণের জন্য সরজমিনে পরিদর্শনপূর্বক জরুরি ভিত্তিতে সংরক্ষণযোগ্যতা নিরূপণের লক্ষ্যে
পরিদর্শন করেছেন সহকারী কাস্টোডিয়ান শাহিন মিয়া। এ সময় তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন-শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারী এস, এম, মোস্তফা কামাল।১৮ জুন( বৃহস্পতিবার) বেলা-১টার দিকে রবীন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর, দক্ষিণডিহি, ফুলতলা, খুলনার সহকারী কাস্টোডিয়ান শাহিন মিয়া শ্যামনগর উপজেলার বংশীপুর শাহী মসজিদ, হাবসীখানা, জাজাজঘাটা, নকিপুরের ঐতিহাসিক জমিদারবাড়ি ও নহবতখানা সরজমিন পরিদর্শনপূর্বক প্রতিবেদন ও মতামত প্রেরণের লক্ষ্যে পরিদর্শন করেছেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়, বিভাগীয় জাদুঘর ভবন, শিববাড়ি মজিদ সরণী, খুলনা আঞ্চলিক পরিচালক সহকারী কাস্টোডিয়ান মোঃ মহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস নির্দেশে সহকারী কাস্টোডিয়ান শাহিন মিয়া কে দায়িত্ব প্রদান করেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী স্বাক্ষরিত নির্দেশে সংশ্লিষ্ট সচিবের স্বাক্ষরিত আদেশের আলোকে পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ডিও লেটারে উল্লেখ করেন-১৯৪৭ পূর্ব বৃটিশ আমলের রাজা প্রতাপাদিত্য আমলের বংশীপুর শাহী মসজিদ যেখানে একজন ওলীর প্রায় ১৮ ফুট লম্বা কবর রয়েছে। সন্নিকটবর্তী ঐতিহাসিক যশোরেশ্বরী কালিমাতা মন্দির, যে মন্দিরটি বিগত ২০২২-২৩ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দর্শনার্থী হিসাবে সফর করেছিলেন। তৎকালীন রাজা- বাদশাহদের বিচারকৃত অপরাধী প্রজাদের শাস্তি বিধানকল্পে ঐতিহাসিক হাবসীখানা। নকিপুরের ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ী এবং তৎসংলগ্ন বিশাল দিঘীরপাড়ে আনন্দ উপভোগের জন্য “নহবত খানা”। নিকটবর্তী ভুরুলিয়ার “জাহাজঘাটা” যেখানে অতীতে রাজাদের এবং তাদের সৈন্য-সামন্তদের আগমণ প্রত্যাগমনে জাহাজ রাখার জায়গা “জাহাজঘাটা” ইত্যাদি। শ্যামনগরের ঐতিহাসিক নিদর্শনসমূহ এখন কালের সাক্ষী। এগুলো জাতীয় সম্পদ। কিন্তু এসকল নিদর্শনসমূহ সংস্কার, পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দৃষ্টিকটু বিমলীন এবং ধ্বংসস্তূপ অবস্থায় রয়েছে। এসব নিদর্শনগুলি এখন সংস্কার এবং সৌন্দর্যমন্ডিত করা সময়ের দাবী। তাছাড়া বছরে হাজার হাজার দর্শণার্থীরা সুন্দরবনে পর্যাটকে আসেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলি প্রাণবন্ত, সৌন্দর্যমন্ডিত এবং তৈরিকালীন সময়ের আদলে সংস্কার করে এলাকায় পর্যটন শিল্পসহ ঐতিহাসিক নিদর্শনসমূহ সংস্কার ও সংরক্ষণের জন্য এলাকাবাসীর দাবী সোচ্চার হয়ে উঠেছে।



















