রাণীশংকৈলে পুকুরের পানি সেচে মাছ হরি লুট থানায় মামলা গ্রেফতার-১
- Update Time : ০৬:১৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ১১ Time View

একে আজাদ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:রানীশংকৈলে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে লিজ নেওয়া পুকুরে বিষাক্ত প্রক্রিয়ায় পানি সেচে মাছ চুরি, চাঁদা দাবি এবং মাছচাষিকে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এজাহারনামীয় আসামি তোবারক আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের পশ্চিম পাশে অবস্থিত হাতিয়া পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বারঘরিয়া গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে সাইদুর রহমান বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামি করে রাণীশংকৈল থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী সাইদুর রহমান ও তাঁর সহযোগীরা প্রায় ৮ মাস আগে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অমল কুমার রায়ের হাতিয়া পুকুরটি লিজ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন। সেখানে রুই, কাতলা, পুঁটি, মৃগেল, কালবাউস, গ্রাসকার্প ও তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১৮-২০ মণ পোনা মাছ অবমুক্ত করেন এবং নিয়মিত পরিচর্যা করে আসছিলেন।
ঘটনার দিন গত ২২ অক্টোবর অভিযুক্ত তোবারক আলী, মোজাম্মেল, শরিফ, টনিক, করিমুল হক, শুকুরদিসহ ১৩ জন এবং অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জন ব্যক্তি দলবদ্ধ হয়ে জোরপূর্বক পুকুরে ৩টি স্যালো মেশিন বসিয়ে পানি সেচে মাছ ধরতে শুরু করেন। এ সময় মাছচাষি সাইদুর রহমান ও তাঁর সহযোগীরা বাধা দিলে হামলাকারীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে পকেটে থাকা নগদ ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে স্থানীয় লোকজন জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী সাইদুর রহমান বলেন, “আমরা এনজিও ও বিভিন্ন স্থান থেকে ঋণ নিয়ে এই পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলাম। আসামিরা সম্পূর্ণ অন্যায় ও বেআইনিভাবে আমাদের সর্বস্বান্ত করেছে। আমার বিপুল পরিমাণ মাছ চুরি ও মারধর করে নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও আইনি প্রতিকার চাই।”
এ বিষয়ে রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী মুঠোফোনে জানান, এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং এজাহারনামীয় তোবারক আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




















