👥 প্রতিনিধি তালিকা 📰 ই-পেপার
ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগৈলঝাড়া গৈলা মাঠে শত বছরের লক্ষ্মীদশহরা মেলা অনুষ্ঠিত, ছিলো জমজমাট

নিজেস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৪:২২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৬ Time View
Print

মোঃ সোহেল রানা,বরিশাল জেলা প্রতিনিধি:বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রতি বছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী শত বছরের লক্ষ্মীদশহরা মেলা।

পূজার দশহরা দিন থেকেই শুরু হওয়া এই মেলায় আশপাশের গ্রাম-গঞ্জ থেকে হাজারো মানুষের ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লক্ষ্মীদশহরা পূজার তিন দিন ব্যপি ঐতিহ্যবাহী শত বছরের লক্ষ্মীদশহরা মেলা ছিলো জমজমাট।
মেলায় শিশু-কিশোরদের জন্য ছিল নাগরদোলা, ঝুলনা, খেলনা,বাঁশি,বেলুনসহ নানান বিনোদনের আয়োজন। তবে এর মদ্ধ্য অন্যতম ছিলো ফার্নিচারের খাট পালং।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মেলায় দোকান বসিয়েছেন নানা ধরনের মিষ্টি, পোশাক, গৃহস্থালি সামগ্রী, খাবার আর দেশীয় হস্তশিল্প নিয়ে। উৎসবমুখর এই পরিবেশে দর্শনার্থীরা কেনাকাটার পাশাপাশি আনন্দেও মাতেন।
মন্দির ও মেলা কমিটির ডিলিপ কুমার জানান,
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গৈলা মাঠে এই মেলা আয়োজন হয়ে আসছে।
শুধু ধর্মীয় পূজা নয়, সামাজিক মিলনমেলাতেও পরিণত হয় এটি। মেলাটি শুধু পূজাকে কেন্দ্র করেই সীমাবদ্ধ না, বরং এটি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিক মিলনমেলার ক্ষেত্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বিএনপি’র গৈলা ইউনিয়ন আহবায়ক ও উপজেলা যুগ্ন আহবায়ক এনায়েত খান(মনু) বলেন,
গৈলাবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁর কঠোর হস্তক্ষেপে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপত্তার মধ্যে থেকে ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপন করতে পেরেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
উপজেলা প্রশাসন কে মেলার নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ফলে নির্বিঘ্নে চলে উৎসবের কার্যক্রম। স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, প্রতিবছরই এ মেলায় দোকান বসাই। বিক্রি ভালো হয়,আবার অনেক পুরনো গ্রাহকের সঙ্গে দেখা হয়।
তবে এবার মেলায় গত বছরের মানুষের থেকে উপস্থিতি বেশি বিক্রি ও বেশি।
লক্ষ্মী পূজার এই মেলা আগৈলঝাড়া উপজেলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম অংশ হিসেবে এখনও একই জৌলুসে টিকে আছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

আগৈলঝাড়া গৈলা মাঠে শত বছরের লক্ষ্মীদশহরা মেলা অনুষ্ঠিত, ছিলো জমজমাট

Update Time : ০৪:২২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
Print

মোঃ সোহেল রানা,বরিশাল জেলা প্রতিনিধি:বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রতি বছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী শত বছরের লক্ষ্মীদশহরা মেলা।

পূজার দশহরা দিন থেকেই শুরু হওয়া এই মেলায় আশপাশের গ্রাম-গঞ্জ থেকে হাজারো মানুষের ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লক্ষ্মীদশহরা পূজার তিন দিন ব্যপি ঐতিহ্যবাহী শত বছরের লক্ষ্মীদশহরা মেলা ছিলো জমজমাট।
মেলায় শিশু-কিশোরদের জন্য ছিল নাগরদোলা, ঝুলনা, খেলনা,বাঁশি,বেলুনসহ নানান বিনোদনের আয়োজন। তবে এর মদ্ধ্য অন্যতম ছিলো ফার্নিচারের খাট পালং।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মেলায় দোকান বসিয়েছেন নানা ধরনের মিষ্টি, পোশাক, গৃহস্থালি সামগ্রী, খাবার আর দেশীয় হস্তশিল্প নিয়ে। উৎসবমুখর এই পরিবেশে দর্শনার্থীরা কেনাকাটার পাশাপাশি আনন্দেও মাতেন।
মন্দির ও মেলা কমিটির ডিলিপ কুমার জানান,
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গৈলা মাঠে এই মেলা আয়োজন হয়ে আসছে।
শুধু ধর্মীয় পূজা নয়, সামাজিক মিলনমেলাতেও পরিণত হয় এটি। মেলাটি শুধু পূজাকে কেন্দ্র করেই সীমাবদ্ধ না, বরং এটি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিক মিলনমেলার ক্ষেত্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বিএনপি’র গৈলা ইউনিয়ন আহবায়ক ও উপজেলা যুগ্ন আহবায়ক এনায়েত খান(মনু) বলেন,
গৈলাবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁর কঠোর হস্তক্ষেপে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপত্তার মধ্যে থেকে ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপন করতে পেরেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
উপজেলা প্রশাসন কে মেলার নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ফলে নির্বিঘ্নে চলে উৎসবের কার্যক্রম। স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, প্রতিবছরই এ মেলায় দোকান বসাই। বিক্রি ভালো হয়,আবার অনেক পুরনো গ্রাহকের সঙ্গে দেখা হয়।
তবে এবার মেলায় গত বছরের মানুষের থেকে উপস্থিতি বেশি বিক্রি ও বেশি।
লক্ষ্মী পূজার এই মেলা আগৈলঝাড়া উপজেলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম অংশ হিসেবে এখনও একই জৌলুসে টিকে আছে।