ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনিয়ম আর স্বজন প্রীতি বিতর্কিত প্রার্থীর ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ প্রক্রীয়া সম্পন্ন করল,ইউ এন,ও সমাজ সেবা,কৃষি কর্মকর্তা এসিল্যান্ড।

Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৬:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১১ Time View
Print

জেলা প্রতিনীতি পিরোজপুর।
এই দুনিয়ায় পুরুষ না হয়ে মেয়ে হয়ে জন্মটা একটা ভাগ্যাের ব্যাপার।
আর তা যদি হয় লজ্জা হীন,অশ্লীল আচারনের।মঠবাড়ীয়ার ফ্যামিলি কার্ড নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মে ফুসে উঠেছে ছাত্র দল,যুব দল।বিএনপির ত্যাগী কর্মীরা।
জেসমিন আক্তার প্রথমে ছিল চড়কগাছিয়া মোনাব্বার হোসেনের পুত্র মনিরের স্ত্রী।একটি কন্যা সন্তান আই এর স্টুডেন্ট।পরাকিয়া করে ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আওয়ামীলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম অসীম দর্জীর পরাকীয়ার স্ত্রী।অন্য দিকে তার বাবা আলতাফ হোসেন চড়মোনাইর মোজাহিদ কমিটির সক্রিয় নেতা ও ভক্ত।এই জেসমিন ও তার পরিবার চড়মোনাইর হাত পাখার এজেন্ট,গ্রামে গ্রামে ভোট চাওয়ার অগ্রনী ভূমিকায় ছিল।
এবং আই এ পাস কোন রকমের।সাপলেজায় এম এ,৮/১০ টি অভিজ্ঞতা সনদ,ত্যাগী নেতার অভাব নাই।আরিফ পিতা মাহাবুব মেম্বর,রাইসুল পিতা রাজ্জাক মৃধা।রুম্মান পিতা ইউনুচ ফরাজী।সহ শতাধীক এমএ পাস আবেদন করেছেন।
নামে মাত্র ভাইবা নিয়ে দলীয় ত্যাগী,মামলা খাওয়ার কর্মীগুলো বাদ দিয়ে এই জেসমিন সাপলেজার তাফাল বাড়ীয়া,জান্নাতি ব্লগার তুষখালী,সাইফুল ইসলাম প্রিন্স গুলিশাখালী সহ ১০০ বিতর্কিত লোক চেহারার সৌন্দর্য,লিপষ্টিক,মাখানো ঠোট দেখা আবেগে ইউ এনও,এসিল্যান্ড,সমাজ সেবা,কৃষি কর্মকর্তা ঘুষের বিনিময় নিশোগ দিয়েছেন।
অন্যদিকে জেসমিন এমপি মহোদয়ের পিএস আইুব সাহেবের ভাইগনি ও ভাইগনার ক্ষমতার অপব্যাবহার করে অযোগ্য লোকদের নিয়োগ দিয়েছে।জান্নাতি ঠোটে লিপ লাগাইয়া ভালোবাসর চুম্বকের আকর্ষনে নিয়োগ বোর্ডকে আকর্ষন করে নিয়োগ পেয়েছে।
উক্ত নিয়োগ নিয়ে এলাকায়,দলের মধ্য চড়ম উত্তেজনা চরম আকার ধারন করেছ।একের পর এক প্রতিবাদ,নিয়োগ বার্ড বাতিলের দাবী জানাচ্ছ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

অনিয়ম আর স্বজন প্রীতি বিতর্কিত প্রার্থীর ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ প্রক্রীয়া সম্পন্ন করল,ইউ এন,ও সমাজ সেবা,কৃষি কর্মকর্তা এসিল্যান্ড।

Update Time : ১২:৩৬:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Print

জেলা প্রতিনীতি পিরোজপুর।
এই দুনিয়ায় পুরুষ না হয়ে মেয়ে হয়ে জন্মটা একটা ভাগ্যাের ব্যাপার।
আর তা যদি হয় লজ্জা হীন,অশ্লীল আচারনের।মঠবাড়ীয়ার ফ্যামিলি কার্ড নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মে ফুসে উঠেছে ছাত্র দল,যুব দল।বিএনপির ত্যাগী কর্মীরা।
জেসমিন আক্তার প্রথমে ছিল চড়কগাছিয়া মোনাব্বার হোসেনের পুত্র মনিরের স্ত্রী।একটি কন্যা সন্তান আই এর স্টুডেন্ট।পরাকিয়া করে ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আওয়ামীলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম অসীম দর্জীর পরাকীয়ার স্ত্রী।অন্য দিকে তার বাবা আলতাফ হোসেন চড়মোনাইর মোজাহিদ কমিটির সক্রিয় নেতা ও ভক্ত।এই জেসমিন ও তার পরিবার চড়মোনাইর হাত পাখার এজেন্ট,গ্রামে গ্রামে ভোট চাওয়ার অগ্রনী ভূমিকায় ছিল।
এবং আই এ পাস কোন রকমের।সাপলেজায় এম এ,৮/১০ টি অভিজ্ঞতা সনদ,ত্যাগী নেতার অভাব নাই।আরিফ পিতা মাহাবুব মেম্বর,রাইসুল পিতা রাজ্জাক মৃধা।রুম্মান পিতা ইউনুচ ফরাজী।সহ শতাধীক এমএ পাস আবেদন করেছেন।
নামে মাত্র ভাইবা নিয়ে দলীয় ত্যাগী,মামলা খাওয়ার কর্মীগুলো বাদ দিয়ে এই জেসমিন সাপলেজার তাফাল বাড়ীয়া,জান্নাতি ব্লগার তুষখালী,সাইফুল ইসলাম প্রিন্স গুলিশাখালী সহ ১০০ বিতর্কিত লোক চেহারার সৌন্দর্য,লিপষ্টিক,মাখানো ঠোট দেখা আবেগে ইউ এনও,এসিল্যান্ড,সমাজ সেবা,কৃষি কর্মকর্তা ঘুষের বিনিময় নিশোগ দিয়েছেন।
অন্যদিকে জেসমিন এমপি মহোদয়ের পিএস আইুব সাহেবের ভাইগনি ও ভাইগনার ক্ষমতার অপব্যাবহার করে অযোগ্য লোকদের নিয়োগ দিয়েছে।জান্নাতি ঠোটে লিপ লাগাইয়া ভালোবাসর চুম্বকের আকর্ষনে নিয়োগ বোর্ডকে আকর্ষন করে নিয়োগ পেয়েছে।
উক্ত নিয়োগ নিয়ে এলাকায়,দলের মধ্য চড়ম উত্তেজনা চরম আকার ধারন করেছ।একের পর এক প্রতিবাদ,নিয়োগ বার্ড বাতিলের দাবী জানাচ্ছ।