জলবায়ু অভিযোজনেই টেকসই কৃষির ভবিষ্যৎ: পবিপ্রবি উপাচার্য
- Update Time : ০২:১৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
- / ২৪ Time View

মোঃ সজিব সরদার
স্টাফ রিপোর্টার : জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) গবেষকদের উদ্যোগে “Adaptive Delta Management for a Climate Resilient Agriculture and Food Security in South Central and Southwest Coastal Bangladesh (ADM-CRAFT)” শীর্ষক প্রকল্পের ইন্সেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৯ জুলাই) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান অভিঘাত মোকাবিলায় অভিযোজন সক্ষমতা জোরদার করার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, টেকসই কৃষি ব্যবস্থা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গবেষণাভিত্তিক উদ্ভাবন এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জলবায়ু অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কৃষক, বিজ্ঞানী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর (এনজিও) সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. হারুনুর রশীদ খান এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ। তারা প্রকল্পটির গুরুত্ব ও সম্ভাবনা তুলে ধরে উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু সহনশীল কৃষি উন্নয়নে এর কার্যকর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের প্রতিনিধি নিলশে কিলেন।
এছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ওয়ার্কশপে প্রকল্পের কী-নোট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন এবং সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প পরিচালক ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক, কৃষি বিশেষজ্ঞ, সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
তারা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় অভিযোজন ভিত্তিক গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।



















