ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগৈলঝাড়ায় দুর্গাপূজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, ব্যস্ত ১৬৯ মণ্ডপ

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫৪ Time View
Print

মো:আশরাফ বরিশাল ক্রাইম রিপোর্টার:-আর মাত্র কয়েকদিন পরই শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। উৎসবকে সামনে রেখে বরিশাল জেলার সবচেয়ে বেশি আগৈলঝাড়া উপজেলায় ১৬৯টি পূজামণ্ডপে চলছে শেষ সময়ের ব্যস্ততা।
প্রতিমা নির্মাণ, রং-তুলির কাজ, মণ্ডপ সাজসজ্জা, আলোকসজ্জা ও তোরণ নির্মাণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগর ও আয়োজকেরা।
আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী অনুষ্ঠিত হবে।
আগৈলঝাড়া উপজেলার বিভিন্ন দুর্গা মন্দির ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা। অধিকাংশ প্রতিমার কাঠামো ও মাটির কাজ শেষের দিকে। এখন চলছে রং-তুলিসহ শেষ মুহুর্তের কাজ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিমা প্রস্তুত করতে দিন-রাত কাজ করছেন কারিগরেরা।
উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে কোথাও প্রতিমায় শেষ মুহুর্তের কাজ চলছে, কোথাও চলছে মণ্ডপের সৌন্দর্যবর্ধন। কোনো কোনো মণ্ডপে নির্মাণ করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন তোরণ ও আলোকসজ্জা। দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে নিজেদের মণ্ডপকে সাজিয়ে তুলতে ব্যস্ত আয়োজকেরাও। প্রতিমাশিল্পী সঞ্জয় পাল বলেন,
রং ও প্রতিমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণের দাম বেড়েছে। ফলে আগের তুলনায় প্রতিমা নির্মাণ ও সাজসজ্জায় খরচ বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে বাড়তি শ্রম দিতে হচ্ছে। এদিকে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব দীনেশ চন্দ্র হালদার বলেন,
উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ১৬৯টি পূজামণ্ডপে এবার দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। অধিকাংশ প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পূজামণ্ডপ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেনি।
পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক যতীন্দ্রনাথ মিস্ত্রী বলেন, প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রতিমা নির্মাণ, রং ও সাজসজ্জার কাজ এগিয়ে চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব মণ্ডপের প্রস্তুতি শেষ হবে।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপম মজুমদার বলেন,
পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকেও সিসি ক্যামেরাসহ নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

২

আগৈলঝাড়ায় দুর্গাপূজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, ব্যস্ত ১৬৯ মণ্ডপ

Update Time : ০১:৫১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
Print

মো:আশরাফ বরিশাল ক্রাইম রিপোর্টার:-আর মাত্র কয়েকদিন পরই শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। উৎসবকে সামনে রেখে বরিশাল জেলার সবচেয়ে বেশি আগৈলঝাড়া উপজেলায় ১৬৯টি পূজামণ্ডপে চলছে শেষ সময়ের ব্যস্ততা।
প্রতিমা নির্মাণ, রং-তুলির কাজ, মণ্ডপ সাজসজ্জা, আলোকসজ্জা ও তোরণ নির্মাণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগর ও আয়োজকেরা।
আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী অনুষ্ঠিত হবে।
আগৈলঝাড়া উপজেলার বিভিন্ন দুর্গা মন্দির ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা। অধিকাংশ প্রতিমার কাঠামো ও মাটির কাজ শেষের দিকে। এখন চলছে রং-তুলিসহ শেষ মুহুর্তের কাজ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিমা প্রস্তুত করতে দিন-রাত কাজ করছেন কারিগরেরা।
উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে কোথাও প্রতিমায় শেষ মুহুর্তের কাজ চলছে, কোথাও চলছে মণ্ডপের সৌন্দর্যবর্ধন। কোনো কোনো মণ্ডপে নির্মাণ করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন তোরণ ও আলোকসজ্জা। দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে নিজেদের মণ্ডপকে সাজিয়ে তুলতে ব্যস্ত আয়োজকেরাও। প্রতিমাশিল্পী সঞ্জয় পাল বলেন,
রং ও প্রতিমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণের দাম বেড়েছে। ফলে আগের তুলনায় প্রতিমা নির্মাণ ও সাজসজ্জায় খরচ বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে বাড়তি শ্রম দিতে হচ্ছে। এদিকে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব দীনেশ চন্দ্র হালদার বলেন,
উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ১৬৯টি পূজামণ্ডপে এবার দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। অধিকাংশ প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পূজামণ্ডপ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেনি।
পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক যতীন্দ্রনাথ মিস্ত্রী বলেন, প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রতিমা নির্মাণ, রং ও সাজসজ্জার কাজ এগিয়ে চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব মণ্ডপের প্রস্তুতি শেষ হবে।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপম মজুমদার বলেন,
পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকেও সিসি ক্যামেরাসহ নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।