👥 প্রতিনিধি তালিকা 📰 ই-পেপার
ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোহাম্মদপুরে গোলাগুলির নেপথ্যে দুই কিশোর গ্যাং, গুলিবিদ্ধ বাবা ও চাপাতির কোপে ছেলে

নিজেস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৭:৪৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৯ Time View
Print

আবু তালেব,স্টাফ রিপোর্টার:রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধকে কেন্দ্র করে গুলি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাবা-ছেলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বাবা মো. সুমন আলী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং তাঁর ছেলে মো. ফাহিম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোহাম্মদপুরের বছিলা সড়কে ময়ূর ভিলার সামনের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে।

আহত বাবা-ছেলেকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে অ্যালেক্স ইমন ও পাটালি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করেই সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে পাটালি গ্রুপের সদস্যদের হাতে অ্যালেক্স ইমন নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর পর ফরহাদ ওই গ্রুপের নেতৃত্ব দিতেন। তবে কিছুদিন আগে ফরহাদও হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার পাটালি গ্রুপের এক সদস্যকে অ্যালেক্স ইমন গ্রুপের সদস্যরা মারধর করেন। ওই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে ফরহাদের দুলাভাই সুমন আলী ও ভাগ্নে ফাহিমের ওপর হামলা চালানো হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

হামলায় সুমন আলীর পায়ে গুলি লাগে। অন্যদিকে, তাঁর ছেলে ফাহিম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন।

ঘটনার পর হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান জানিয়েছেন, হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে একের পর এক সহিংস ঘটনার মধ্যে সর্বশেষ এই হামলা স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত, হামলার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং তাঁদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

মোহাম্মদপুরে গোলাগুলির নেপথ্যে দুই কিশোর গ্যাং, গুলিবিদ্ধ বাবা ও চাপাতির কোপে ছেলে

Update Time : ০৭:৪৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
Print

আবু তালেব,স্টাফ রিপোর্টার:রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধকে কেন্দ্র করে গুলি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাবা-ছেলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বাবা মো. সুমন আলী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং তাঁর ছেলে মো. ফাহিম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোহাম্মদপুরের বছিলা সড়কে ময়ূর ভিলার সামনের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে।

আহত বাবা-ছেলেকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে অ্যালেক্স ইমন ও পাটালি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করেই সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে পাটালি গ্রুপের সদস্যদের হাতে অ্যালেক্স ইমন নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর পর ফরহাদ ওই গ্রুপের নেতৃত্ব দিতেন। তবে কিছুদিন আগে ফরহাদও হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার পাটালি গ্রুপের এক সদস্যকে অ্যালেক্স ইমন গ্রুপের সদস্যরা মারধর করেন। ওই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে ফরহাদের দুলাভাই সুমন আলী ও ভাগ্নে ফাহিমের ওপর হামলা চালানো হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

হামলায় সুমন আলীর পায়ে গুলি লাগে। অন্যদিকে, তাঁর ছেলে ফাহিম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন।

ঘটনার পর হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান জানিয়েছেন, হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে একের পর এক সহিংস ঘটনার মধ্যে সর্বশেষ এই হামলা স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত, হামলার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং তাঁদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।