ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় ‘পুশইন’ বন্ধের দাবিতে সাতক্ষীরায় ভোমরায় ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • / ৮ Time View
Print

মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন,সাতক্ষীরা:
ভারত সীমান্ত দিয়ে কথিত ‘পুশইন’ বন্ধ, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবিতে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভা করেছে ১১ দলীয় জোট।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে সাতক্ষীরা জেলার ভারত সীমান্তসংলগ্ন ভোমরা স্থলবন্দরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

১১ দলীয় জোটের প্রধান ও জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য মুহা. ইজ্জতুল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মুহা. ইজ্জতুল্লাহ বলেন, “বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবৈধ অনুপ্রবেশ কিংবা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড দেশের জনগণ কখনো মেনে নেবে না। সকলকে সঙ্গে নিয়ে ভারতের সব ধরনের আগ্রাসন ও অপতৎপরতা প্রতিরোধে দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবে।” তিনি সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পাশাপাশি কূটনৈতিকভাবে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, “সীমান্ত এলাকায় বারবার ‘পুশইন’ ও অনুপ্রবেশের যে অভিযোগ উঠছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দেশের নিরাপত্তা ও জনগণের স্বার্থে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।”

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন— জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক, সাতক্ষীরা পৌর আমির জাহিদুল ইসলাম বকুল, এবং এনসিপির জেলা যুগ্ম সম্পাদকসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশ থেকে উত্থাপিত মূল দাবিগুলো হলো ভারত সীমান্ত দিয়ে কথিত ‘পুশইন’ ও অবৈধ অনুপ্রবেশ অবিলম্বে বন্ধ করা। সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্তবাসীর জানমালের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ভারতীয় ‘পুশইন’ বন্ধের দাবিতে সাতক্ষীরায় ভোমরায় ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৯:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
Print

মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন,সাতক্ষীরা:
ভারত সীমান্ত দিয়ে কথিত ‘পুশইন’ বন্ধ, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবিতে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভা করেছে ১১ দলীয় জোট।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে সাতক্ষীরা জেলার ভারত সীমান্তসংলগ্ন ভোমরা স্থলবন্দরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

১১ দলীয় জোটের প্রধান ও জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য মুহা. ইজ্জতুল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মুহা. ইজ্জতুল্লাহ বলেন, “বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবৈধ অনুপ্রবেশ কিংবা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড দেশের জনগণ কখনো মেনে নেবে না। সকলকে সঙ্গে নিয়ে ভারতের সব ধরনের আগ্রাসন ও অপতৎপরতা প্রতিরোধে দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবে।” তিনি সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পাশাপাশি কূটনৈতিকভাবে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, “সীমান্ত এলাকায় বারবার ‘পুশইন’ ও অনুপ্রবেশের যে অভিযোগ উঠছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দেশের নিরাপত্তা ও জনগণের স্বার্থে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।”

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন— জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক, সাতক্ষীরা পৌর আমির জাহিদুল ইসলাম বকুল, এবং এনসিপির জেলা যুগ্ম সম্পাদকসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশ থেকে উত্থাপিত মূল দাবিগুলো হলো ভারত সীমান্ত দিয়ে কথিত ‘পুশইন’ ও অবৈধ অনুপ্রবেশ অবিলম্বে বন্ধ করা। সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্তবাসীর জানমালের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।