পবিপ্রবিতে নতুন রেজিস্ট্রার, ডিন ও পরিবহন কর্মকর্তার যোগদান
- Update Time : ০৫:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
- / ৪৮ Time View

মোঃ সজিব সরদার
স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে নতুন নেতৃত্বের সূচনা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত রেজিস্ট্রার, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন এবং পরিবহন কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক যোগদান উপলক্ষে পৃথক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
তিনটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান।
সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে আয়োজিত আলোচনা সভার মাধ্যমে নবনিযুক্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বিদায়ী রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং নবনিযুক্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বক্তব্য দেন।
এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে সবাইকে দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি সেবার মানোন্নয়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরে সকাল সাড়ে ১০টায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের নবনিযুক্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমানের যোগদান উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিদায়ী ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং নবনিযুক্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। সভাটি সঞ্চালনা করেন উপপরিচালক ড. মো. মাহমুদুল হাসান।
সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শাখার নবনিযুক্ত পরিবহন কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিমের যোগদান উপলক্ষে আরেকটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। অনুষ্ঠানে সাবেক পরিবহন কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন, বিদায়ী পরিবহন কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মো. কামাল হোসেন, গাড়িচালক আবু মুসা, শাহজাহানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদের সফলতা কামনা করে বলেন, দক্ষ নেতৃত্ব, সমন্বিত উদ্যোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে পবিপ্রবিকে শিক্ষা, গবেষণা ও সেবার ক্ষেত্রে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক ও গতিশীল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব হবে।



















